ঠিকানা
|
| স্থায়ী ঠিকানা |
পশ্চিম দেওভোগ (নূর মসজিদ-দক্ষিণ পার্শ্বে),বড় দেওভোগ,কাশিপুর,ফতুল্লা,নারায়ণগঞ্জ সদর,নারায়ণগঞ্জ। |
| বর্তমান ঠিকানা |
পশ্চিম দেওভোগ (নূর মসজিদ-দক্ষিণ পার্শ্বে),বড় দেওভোগ, কাশিপুর, ফতুল্লা, নারায়ণগঞ্জ সদর, নারায়ণগঞ্জ। |
শিক্ষাগত যোগ্যতা
|
| কোন মাধ্যমে পড়াশোনা করেছেন? |
জেনারেল |
| মাধ্যমিক (SSC) / সমমান পাশ করেছেন? |
হ্যাঁ |
| মাধ্যমিক (SSC) / সমমান বিভাগ |
ব্যবসা বিভাগ |
| মাধ্যমিক (SSC) / সমমান পাসের সন |
2011 |
| উচ্চ মাধ্যমিক (HSC) / সমমান পাশ করেছেন? |
হ্যাঁ |
| উচ্চ মাধ্যমিক (HSC) / সমমানের বিভাগ |
ব্যবসা বিভাগ |
| উচ্চ মাধ্যমিক (HSC) / সমমান পাসের সন |
2013 |
| স্নাতক / স্নাতক (সম্মান) / সমমান শিক্ষাগত যোগ্যতা |
Bachelor of Business Administration (BBA) in Management |
| শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের নাম |
National University |
| স্নাতক / স্নাতক (সম্মান) / সমমান পাসের সন |
2018 |
| অন্যান্য শিক্ষাগত যোগ্যতা |
শিক্ষার বিষয়ঃ-MBA।
প্রতিষ্টানের নামঃ- National University।
পাসের সনঃ- 2019। |
পারিবারিক তথ্য
|
| পিতার পেশা |
ব্যবসায়ী(বাচ্চাদের জামা-কাপড়ের) |
| মাতার পেশা |
গৃহিণী |
| বোন কয়জন? |
2 |
| ভাই কয়জন? |
ভাই নেই |
| ভাই বোনদের পেশা |
(১)বড় বোনঃ-
নামঃ শারমিন আক্তার
সর্বোচ্চ শিক্ষাগত যোগ্যতাঃ HSC পাশ।
বৈবাহিক অবস্থাঃ বিবাহিত।
পেশাঃ গৃহিণী।
তাঁর স্বামী ফ্রান্সে প্রবাসী।
(২)ছোট বোনঃ
নামঃস্বর্না আক্তার।
সর্বোচ্চ শিক্ষাগত যোগ্যতাঃ SSC পাশ।
বৈবাহিক অবস্থাঃ বিবাহিত।
পেশাঃ গৃহিণী।
তাঁর স্বামী একজন ব্যবসায়ী। |
| পরিবারের অর্থনৈতিক ও সামাজিক অবস্থা |
মধ্যবিত্ত,সচ্ছল ও সামাজিক ভাবে সম্মানিত।আলহামদুলিল্লাহ, নিজস্ব বাড়িতে বাবা-মায়ের সাথে বেশ সুন্দরভাবে,সচ্ছলতার সাথে জীবন পার করাচ্ছেন আল্লাহ সুবহানাহু ওয়াতাআ'লা।নারায়ণগঞ্জের কাশিপুর ইউনিয়নের, "পশ্চিম দেওভোগ (নূর মসজিদ) দক্ষিণ পার্শ্বের এলাকায় ৩ শতাংশের কিছুটা কম এর উপর ৫ তলা ফাউন্ডেশনে ১ তলা বাড়ি পরিপূর্ণভাবে তৈরি করা হয়েছে,সেখানেই থাকা হচ্ছে আলহামদুলিল্লাহ।তাছাড়া,মার বাবার বাড়ি অর্থাৎ,নানার বাড়ি থেকে মাকে কিছু জমি-সম্পত্তি দিয়েছে যা আনুমানিক ২০লাখ প্লাস হবে,আলহামদুলিল্লাহ।আল্লাহ সুবহানাহু ওয়াতাআ'লা আমাদেরকে যেভাবে রেখেছেন সেই অবস্থাতেই হাজারো-লাখো-কোটি শুকরিয়া আদায় করছি, আলহামদুলিল্লাহ। |
ব্যক্তিগত তথ্য
|
| আপনার দাঁড়ি আছে কি? |
জ্বী, সুন্নতি দাড়ি রেখেছি |
| পায়ের টাখনুর উপরে কাপড় পরেন? |
হ্যাঁ পরি, আলহামদুলিল্লাহ।না পরলে আল্লাহ কেয়ামতের দিনে আমাদের দিকে সু-নজরে তাকাবেন না, কথা বলবেন না, আমাদের পবিত্র করবেন না, বরং জাহান্নামের কঠিন শাস্তি দিবেন। |
| ঘরের বাহিরে সাধারণত কী ধরণের পোশাক পরেন? |
শার্ট ও প্যান্ট এবং মাঝে মাঝে নামাযের সময় পাঞ্জাবি পরা হয়। আর প্যান্ট সদা-সর্বদা টাখনুর উপরে থাকে, আলহামদুলিল্লাহ। |
| প্রতিদিন পাঁচ ওয়াক্ত নামাজ পড়া হয়? |
হ্যাঁ পড়ি, আলহামদুলিল্লাহ। |
| নিয়মিত নামায কত সময় যাবত পড়ছেন? |
আনুমানিক ২বছর যাবৎ।নামাজের গুরুত্ব বুঝার পর থেকেই নিয়মিত নামাজ পড়া হয়,আলহামদুলিল্লাহ। তবে, এর আগেও নামাজ পড়া হতো কম-বেশি ওয়াক্ত এবং অনিয়মিত।ইচ্ছে/অলসতায় ১ ওয়াক্ত নামাজ ছেড়ে দিলে অনেক আলেমের মতে সে কাফের,অর্থাৎ, বেনামাজি কাফের। হাদিসে আছে, ইচ্ছা করে নামাজ ত্যাগ করা কুফুরী।"একজন মুসলিম ও কাফিরের মধ্যে পার্থক্যকারী হলো নামাজ।"মুমিন বান্দা এবং শিরক এর মধ্যে পার্থক্যকারী হচ্ছে সালাত ত্যাগ করা।নামাজের গুরুত্ব বুঝার জন্য ২টা হাদিসই যথেষ্ট। |
| মাহরাম/নন-মাহরাম মেনে চলেন কি? |
হ্যাঁ চেষ্টা করা হয়, আলহামদুলিল্লাহ। পরিপূর্ণ সম্ভব না হলেও যতটা সম্ভব মেনে চলার চেষ্টা করি। |
| শুদ্ধভাবে কুরআন তিলওয়াত করতে পারেন? |
না চেষ্টা করছি, আলহামদুলিল্লাহ হয়ে যাবে।একদম পরিপূর্ণ সহীহ শুদ্ধ না হলেও প্রায় অনেকট ভালোভাবে তিলওয়াত করতে পারি,আলহামদুলিল্লাহ। |
| কোন মাঝহাব অনুসরণ করেন? |
সালাফি |
| কোনো রাজনৈতিক দর্শন থাকলে লিখুন |
নাই। |
| নাটক/সিনেমা/সিরিয়াল/গান এসব দেখেন বা শুনেন? |
না, আলহামদুলিল্লাহ।দ্বীনের পথে ফেরার পর থেকে এগুলো একদম এড়িয়ে চলি। মনের সাথে জিহাদ করে একেবারে কঠিনভাবে এড়িয়ে চলি, আলহামদুলিল্লাহ।তবে, সোশ্যাল মিডিয়ার জন্য মাঝে মাঝে কিছু ক্লিপ চোখের সামনে হঠাৎ চলে আসে, আর যতটা সম্ভব এড়িয়ে চলি। |
| মানসিক বা শারীরিক কোনো রোগ আছে কি? |
আলহামদুলিল্লাহ, সুস্থ আছি। আল্লাহর রহমতে বড় ধরনের/ভয়ংকর কোনো রোগ পরিলক্ষিত হয়নি আমার জানা মতে, আলহামদুলিল্লাহ। তবে, অ্যালার্জি জনিত একটু ঠান্ডা সমস্যা আছে যেটা কয়েকবছর পর হঠাৎ হঠাৎ দেখা দেয়। এছাড়া, সব সময় সুস্থ থাকি, আলহামদুলিল্লাহ। |
| দ্বীনের কোন বিশেষ মেহনতে যুক্ত আছেন? |
আপাতত নেই, চেষ্টায় আছি।আর পরিচিত মানুষদের ইসলামিক বই,হাদিস পড়ার প্রতি উদ্বুদ্ধ করি। সোশ্যাল মিডিয়ার মাধ্যমে বিভিন্ন ইসলামিক রিলেটেড আর্টিকেল ও ভিডিও শেয়ার করি যাতে তারা শরীয়তের বিধি-বিধান সম্পর্কে জানতে পারে। |
| আপনি কি কোনো পীরের মুরিদ বা অনুসারী? |
না |
| মাজার সম্পর্কে আপনার ধারণা বা বিশ্বাস কি? |
এটি শিরক। তবে, কবর হিসেবে যিয়ারত করা যেতে পারে। |
| আপনার পছন্দের অন্তত ৩ টি ইসলামী বই এর নাম লিখুন |
(১) উসূলুল ঈমান, (২) আক্বিদাতুত তাওহীদ, (৩) মানহাজ, (৪) রিয়াজুস স্বালিহীন, (৫) বুলুগুল মারাম, (৬) আল-আদাবুল মুফরাদ, (৭) চরিত্র গঠনের উপায় ইত্যাদি আরো বই পড়া হয়েছে, সেই সাথে এখন অবদি দ্বীনি ইলম অর্জনের জন্য আরো বই পড়া চলমান... |
| আপনার পছন্দের অন্তত ৩ জন আলেমের নাম লিখুন |
(১) শায়খ আব্দুল আযীয বিন আবদুল্লাহ বিন বায রহিমাহুমুল্লাহ, (২) শায়খ মুহাম্মাদ বিন সালেহ আল উসাইমীন রহিমাহুমুল্লাহ, (৩) শায়খ সালেহ ফাউজান আল ফাউজান হাফিজাহুল্লাহ, (৪) শায়খ ড: সুলাইমান বিন সালিমুল্লাহ আর রুহাইলী হাফিজাহুল্লাহ, (৫) শায়খ প্রফেসর মোখতার আহমাদ হাফিজাহুল্লাহ, (৬) শায়খ ড: মুহাম্মদ মানজুরে ইলাহী হাফিজাহুল্লাহ ইত্যাদি আরো আছেন প্রিয় মুখ। |
| নিজের সম্পর্কে কিছু লিখুন |
নিজেকে একজন খাঁটি মুমিন হিসেবে গড়ে তোলে আল্লাহ সুবহানাহু ওয়াতাআ'লা ও তাঁর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর প্রিয় হয়ে ওঠা আমার জীবনের সবচেয়ে বড় লক্ষ্য।প্র্যাক্টিসিং মুসলিম হওয়ার সর্বোচ্চ চেষ্টা করছি।কুরআন ও সুন্নাহ অনুযায়ী আমল করা ও চলার চেষ্টা করি।দ্বীনি ইলম চর্চায় নিজেকে নিয়োজিত রাখি, এর জন্য ঘরে একটি ক্ষুদ্র ইসলামিক লাইব্রেরি তৈরি করার লক্ষ্য কাজ করছি।সর্বাবস্থায়,আল্লাহ সুবহানাহু ওয়াতাআ'লা কে ভয় করে চলি।জায়েজ,না-জায়েজ এর মাসআলায় না গিয়ে,সর্বোত্তম তাকওয়াপূর্ণ মাসআলা মেনে চলার চেষ্টা করি।নিজেকে দ্বীনদার হিসেবে তৈরি করার জন্য যথাসাধ্য চেষ্টা করি এবং আখিরাতকে ঠিক রেখে দুনিয়ায় চলার চেষ্টা করি।সবকিছুতে, হালাল-হারাম মেনে চলার একদম চেষ্টা করি এবং সব রকম অপরাধ ও পাপ কর্ম থেকে দূরে থাকার চেষ্টা করি।শিরক,বিদ'আত, কুফর ও কুসংস্কার মুক্ত জীবন গড়ার চেষ্টায় আছি,আলহামদুলিল্লাহ।শিরক,বিদ'আত ও কুসংস্কার মুক্ত যে কাউকেই আল্লাহর সন্তুষ্টি লাভের জন্য ভালোবাসি।আমি চেষ্টা করি, সবার সাথে ভালো ব্যবহার এর মাধ্যমে আল্লাহর প্রিয় হতে।মানুষকে সাহায্যে-সহযোগিতা করতে ভালোবাসি।কারো প্রতি যদি ঘৃণা থাকে, তাহলে সেটি আল্লাহর জন্যই করে থাকি।শান্ত-শিষ্ট স্বভাবের,নম্র-ভদ্র,সৎ ও সহজ-সরল প্রকৃতির অনেকটাই আমি।আমি খুব আপনজন ও পরিচিত লোক ছাড়া যে কারো সাথে কথা খুব বেশি একটা বলি না।দ্বীনি পরিবেশে থাকতে পছন্দ করি।দ্বীনদার,আল্লাহভীরু লোকদের সহবতে থাকতে পছন্দ করি।পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতা থাকতে পছন্দ করি।মিথ্যা কথা বলা,অন্যকে নিয়ে গীবত করা,চোগলখোরি করা,হিংসা করা,অহংকারী হওয়া,ওয়াদা ভংগ করা,জুলুম-অত্যাচার করা,আমানতের খিয়ানত করা,ঝগড়াঝাঁটি করা অপছন্দ করি,এর সাথে সকল বদগুনগুলোকে ত্যাগ করার সর্বোচ্চ চেষ্টা করি এবং সকল নেকগুনগুলোকে অর্জন করার জন্য সর্বোচ্চ চেষ্টা করছি।নেশা-দ্রব্য জাতীয় কোন প্রকার খাবার খাওয়া বা পান করা এই রকম বদ অভ্যাস আমার নেই।দুনিয়াবি লোভ-লালসা করা থেকে বেঁচে থাকার চেষ্টা করি, লোভী মানুষদের অপছন্দ করি।আল্লাহ সুবহানাহু ওয়াতাআ'লার কাছে এগুলোর থেকে আশ্রয় চাই।প্রতিটি কাজে আল্লাহ সুবহানাহু ওয়াতাআ'লা কে এমনভাবে ভয় করার চেষ্টা করি, যেন মহান আল্লাহ সুবহানাহু ওয়াতাআ'লা সর্বদা আমাকে দেখছেন।তারপরও মাঝে মাঝে কিছু গুনাহ থেকে বেঁচে থাকা খুব কষ্টকর হয়ে দাড়ায়।আল্লাহ সুবহানাহু ওয়াতাআ'লার কাছে এর জন্য আশ্রয় ও ক্ষমা প্রার্থনা করি।আল্লাহ সুবহানাহু ওয়াতাআ'লা আমাকে হেফাজত করুক আমিন।প্রতিটা বিষয়ে একমাত্র আল্লাহ তা'আলার উপরই তাওয়াক্কুল করি এবং সর্বোত্তম ফায়সালাকারী মনে করি।কেউ আমাকে পরিপূর্ণ দ্বীনদার মনে করবেন না।আল্লাহ সুবহানাহু ওয়াতাআ'লার অশেষ মেহেরবানিতে তিনি তাঁর স্বীয় অনুগ্রহে আমাকে প্রকৃত হেদায়েত নসিব করে ধন্য করেছেন,আলহামদুলিল্লাহ।আমি জেনারেল পড়ুয়া কিন্তু সবকিছুর উর্দ্ধে ছিলো আল্লাহ সুবহানাহু ওয়াতাআ'লার অফুরন্ত ভালোবাসা যার জন্য আজ হেদায়েতের পথে, আলহামদুলিল্লাহ।তাকওয়া ঠিক রেখে সব দিক হতে উত্তম চরিত্র গঠনে তৎপর আছি, আলহামদুলিল্লাহ।জীবনের প্রতিটি মুহূর্তে আল্লাহ সুবহানাহু ওয়াতাআ'লার সন্তুষ্টি-অসন্তুুষ্টির বিষয়টি সবার উর্দ্ধে রাখার চেষ্টা করি।আমার খুব ইচ্ছে,মা-বাবা সহিত স্ত্রীকে নিয়ে হজ্জ করতে পারা।আল্লাহ তা'আলা তাওফীক দান করুক আমিন।সব সময় আল্লাহর কাছে দোআ করি, আল্লাহ সুবহানাহু ওয়াতাআ'লা যেন আমাকে সহজ-সরল ও নরম মনের পরিবারের সাথে আত্মীয়তার বন্ধনে আবদ্ধ করে দেন এবং একটি সত্যিকারের ইসলামিক পরিবার গঠন করতে পারি,আর স্ত্রীর জন্য একজন আদর্শ স্বামী এবং সন্তানের জন্য একজন আদর্শ বাবা হতে পারি,আমিন। |
বিয়ে সংক্রান্ত তথ্য
|
| অভিভাবক আপনার বিয়েতে রাজি কি না? |
হ্যাঁ, আলহামদুলিল্লাহ। |
| বিয়ে কেন করছেন? বিয়ে সম্পর্কে আপনার ধারণা কি? |
নিজের চরিত্রকে হেফাজত করার জন্য, সুন্নাহ আদায়ের জন্য এবং নিজের তাকওয়ার সুরক্ষার জন্য।বিয়ের মাধ্যমে ইসলামের মহিয়ান উদ্দেশ্যে বাস্তবায়ন হয়,ফিতনা থেকেও নিজেকে সুরক্ষিত রাখা যায়।চক্ষু হেফাজত হয়,গুনাহ থেকে বাঁচার মাধ্যমে। বিয়েতে অনেক কল্যান ও বরকত রয়েছে। বিয়ে করলে আল্লাহ রিজিক বৃদ্ধি করে দেন।বিয়ে হচ্ছে অর্ধেক দ্বীন,বিয়ের মাধ্যমে ঈমানের পূর্ণতা লাভ করে।আল্লাহর সন্তুষ্টি অর্জন হয়,অনেক গুনাহ থেকে বাঁচা যায়।বিয়ে একটি ইবাদতও বটে।একজন দ্বীনদার স্ত্রীর সান্নিধ্যে থাকলে মনের প্রশান্তি পাওয়া যায়, হেদায়েতের উপর থাকা সহজ হয়, গুনাহ থেকে বেঁচে থাকার প্রেরনা যোগায়।আদর্শ পরিবার গঠন ও নেককার বংশধর রেখে যেতে বিবাহের বিকল্প আর কিছু নেই, যাতে তাঁরা আমার মৃত্যুর পরে দোয়া করতে পারে।তাছাড়া, বিয়ে করা আল্লাহ তা'আলার আদেশ ও রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর সুন্নাহ। ★রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন, "বিয়ে হলো আমার সুন্নাত, যে ব্যক্তি আমার সুন্নাত তরিকা ছেড়ে চলবে সে আমার দলভুক্ত নয়।"" হে যুব সমাজ। তোমাদের মধ্যে যারা বিয়ের সামর্থ্য রাখে,তাদের বিয়ে করা কর্তব্য,কেননা বিয়ে দৃষ্টি নিয়ন্ত্রণকারী,যৌন অঙ্গের পবিত্রতা রক্ষাকারী।হে যুব সমাজ, তোমাদের মধ্যে যারাই স্ত্রীর অধিকার আদায়ে সামর্থ্য রাখে, তাঁরা যেন অবশ্যই বিয়ে বন্ধনে আবদ্ধ হয়।""যখন কোন বান্দা বিবাহ করলো তখন সে তাঁর ঈমানের অর্ধাংশ পূর্ণ করলো।"আল্লাহ তা'আলা বলেন,"তাঁরা (স্ত্রীগন) তোমাদের পোশাক এবং তোমরা (স্বামীগন) তাদের পোশাকস্বরুপ"[সূরা বাকারা--১৮৭]।আল্লাহ আরো বলেন, "আর এক নিদর্শন এই যে,তিনি তোমাদের জন্য তোমাদের মধ্যে থেকে তোমাদের সঙ্গিনীদের সৃষ্টি করেছেন,যাতে তোমরা তাদের কাছে শান্তিতে থাক এবং তিনি তোমাদের মধ্যে পারস্পরিক সম্প্রীতি ও দয়া সৃষ্টি করেছেন।" [সূরা রুম--২১নং আয়াত]।আল্লাহ সুবহানাহু ওয়াতাআ'লা যেন মনের নেক আশা-আকাঙ্ক্ষা গুলো পূরন করে দিক আমিন। |
| বিয়ের পর স্ত্রীর পর্দার ব্যবস্থা রাখতে পারবেন? |
হ্যাঁ রাখতে পারবো, ইনশা আল্লাহ। |
| বিয়ের পর স্ত্রীকে পড়াশোনা করতে দিতে চান? |
না।তবে,স্ত্রী ও পরিবারের সাথে আলোচনা সাপেক্ষে যেটা কল্যানকর হবে,সেটাই করবো, ইনশা আল্লাহ।আর একান্ত প্রয়োজন হলে সেটি ভিন্ন কথা। |
| বিয়ের পর স্ত্রীকে চাকরী করতে দিতে চান? |
না।তবে, দ্বীনি খেদমতে পরিস্থিতি বিবেচনা করে সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে, ইনশা আল্লাহ।সেটি আলোচনা সাপেক্ষে। |
| বিয়ের পর স্ত্রীকে কোথায় নিয়ে থাকবেন? |
বর্তমান ঠিকানায়।নিজ পরিবারের সাথে। তবে, প্রয়োজন সাপেক্ষে অন্যত্রও হতে পারে। |
| বিয়ে উপলক্ষে আপনি বা আপনার পরিবার পাত্রীপক্ষের কাছে যৌতুক বা উপহার বা অর্থ আশা করবেন কি না? |
না, কখনোই না, ইনশা আল্লাহ।আল্লাহ সুবহানাহু ওয়াতাআ'লা আমাকে নেককার,তাকওয়াবান,পরহেজগার,দ্বীনদার,আমলীওযুহুদ পরিবারের স্ত্রী দিচ্ছেন এটাই আলহামদুলিল্লাহ। অনুরূপভাবে, তারাও উচ্চ দেনমোহরের পক্ষে থাকতেই পারবে না। |
পেশাগত তথ্য
|
| পেশা সম্পর্কিত তথ্য |
নারায়ণগঞ্জ শপিং কম্পেলেক্সে আমাদের একটি দোকান আছে,আলহামদুলিল্লাহ।দোকানটি ভাড়া দেয়া আছে।সেখান থেকেও ইনকাম সোর্স জেনারেট হয় এখন অবদি,মাশাআল্লাহ,আলহামদুলিল্লাহ।এর পাশাপাশি একটি রেডিমেড আইটেমের কাপড়ের দোকান ছিলো,যেটা নারায়ণগঞ্জ "টিএনটি" অফিসের পাশে "ফুটপাতে" অবস্থিত।পড়াশুনা শেষ করার পর সেখানেই মূলত আমি আমার বাবার সাথে ব্যবসায় সময় দিতাম।সেই দোকানটি সরকারী রাস্তা বাড়াবার কাজের জন্য ভেংগে ফেলা হয়েছে।সেখানেই কোনরকম ব্যবসাটি চালিয়ে নিচ্ছি।তার পাশাপাশি আমার নিজের জন্য অন্য ব্যবসা অথবা চাকরি হালাল রিজিকের সন্ধানে আছি,আল্লাহ সুবহানাহু ওয়াতাআ'লা আমার ও আমার পরিবারের হালাল রিজিকের ব্যবস্থা করে দিক আমিন।তাছাড়া, আমরা আমাদের সেই ভাড়া দেয়া দোকানেই নিজেরা দোকান করবার প্রয়াসে আছি।আল্লাহ সুবহানাহু ওয়াতাআ'লা আমাদের পরিকল্পনা ও কাজকে সহজ করে দিক ও কবুল করে নিক এবং হালাল ভাবে উপার্জন করার ব্যবস্থা করে দিক,আমিন। |
| বিশেষ কিছু যদি জানাতে চান |
মেয়েরা যদি জানতো দ্বীনদার স্বামীরা কেমন হয়।তাহলে, দ্বীনদার স্বামী পাওয়ার লোভেই তারা দ্বীনদার হয়ে যেত।রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন,"গোটা দুনিয়াই সম্পদে পরিপূর্ণ, এর মধ্যে সবচেয়ে উত্তম ও কল্যাকর সম্পদ হলো পুন্যবতী স্ত্রী"। [সহিহ মুসলিম হা-৩৫৩৫,,৩৫০৬নং]।আল্লাহ সুবহানাহু ওয়াতাআ'লা বলেছেন,"আমি যাকে ধন-সম্পদ দিয়েছি,সে বেশি ভাগ্যবান নয়,ভাগ্যবান সেই ব্যক্তি যাকে আমি একজন ধার্মিক জীবনসঙ্গি দিয়েছি।"যখন কোন স্ত্রী তাঁর স্বামীর দিকে তাকিয়ে মিস্টি হাসে, তখন আল্লাহ তা'আলা তাদের উভয়ের দিকে তাকিয়ে মিস্টি হাসেন,সুবহানাল্লাহ।পৃথিবীর সবচেয়ে সুখী মানুষ হচ্ছে সে,যে একজন নেককার স্ত্রী পেয়েছে।হযরত আলী (রা:) বলেছেন,"তোমাদের মধ্যে সর্বোত্তম ব্যক্তি সে,যে তাঁর স্ত্রীর নিকট উত্তম।আল্লাহর রহমতে,সে স্বামী কখনো পথভ্রষ্ট হবে না,যার ঘরে একজন দ্বীনদার নামাজি স্ত্রী আছে।একজন নেককার স্ত্রী হলো স্বামীর জন্য শ্রেষ্ট সম্পদ।নেককার স্ত্রী ছাড়া যেমন কোন পুরুষ সুখী হতে পারে না,তেমনি নেককার স্বামী ছাড়াও কোন মেয়ে সুখী হতে পারে না।একটি সুখী পরিবারের জন্য উভয়ের দ্বীনদার হওয়ার প্রয়োজন।আল্লাহ সুবহানাহু ওয়াতাআ'লা সবাইকে সঠিক বুঝ দান করুক, আমিন।
★একটি বিশেষ জরুরি বার্তা,"পাত্রীর পরিবার আর্থিক অবস্থা যেমনই হোক, কোন আপত্তি না থাকলে, "বিয়েটা চাচ্ছিলাম সংক্ষেপে করতে।বিয়েতে ছেলে পক্ষ থেকে অল্প খরচে ওয়ালিমা অনুষ্ঠান হবে।মেয়ে পক্ষ থেকে ছেলে পক্ষকে কোন প্রকার অনুষ্ঠান কেন্দ্রীক বোঝা চাপিয়ে দিবে না এটা আশাবাদী।যদি সম্ভব হয়, আমার পরিবার এবং পাত্রীর পরিবার এর মধ্যে কোন প্রকার ঘরোয়া আয়োজন ছাড়াই বিনা খরচে সম্পন্ন হোক।অর্থাৎ, আমার কয়েকজন অভিভাবক নিয়ে গিয়ে বিয়ে করে নিয়ে আসতে চাই যদি কোন আপত্তি না করেন খুশি হবো।চাই না মেয়ের বাড়িতে কোন প্রকার অনুষ্ঠান হোক।আর সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ যে বিষয়টা তা হলো দেনমোহর আমার সাধ্যনুযায়ী আমি দিবো।আর তা নগদ পরিশোধ করে দিবো,ইনশা আল্লাহ।মেয়ে পক্ষ থেকে দেনমোহরের বিষয়ে অধিক চাহিদা থাকলে দয়া করে যোগাযোগ করবেন না।আরেকটা বিষয় তা হলো," আমার পরিবারের সবাই হানাফি মাজহাবের,আর আমাকেও কিছু কিছু ক্ষেত্রে হানাফি ফিকহ অনুসরন করতে হয়।কিন্তু আমি সর্বোচ্চ চেষ্টা করি সালাফি ফিকহ/আকিদা অনুসরণ করতে।আমি প্রতিটি মাজহাবকে সম্মান করি যদি না সেটায় অন্ধ অনুসরন থাকে। তাই,বলছিলাম দয়া করে কেউ মাজহাব নিয়ে বাড়াবাড়ি/গোঁড়ামি করবেন না।এই
বিষয়ে ছাড় দেয়ার মন-মানসিকতা আমার আছে আশাকরি হানাফি পরিবারের(পাত্রী) পক্ষেরও থাকবে।বায়োডাটা পছন্দ হলে,কল না দিয়ে আগে ম্যাসেজ/মেইল দিয়ে জানাবেন।পাত্রী দেখার পর অবশ্যই ছালাতুল ইস্তেখারাহ করা হবে, ইস্তেখারার ফলাফল ভালো হলে পুনরায় যোগাযোগ করা হবে, ইনশা আল্লাহ। |
যেমন জীবনসঙ্গী আশা করেন
|
| সর্বোচ্চ বয়স |
২৩ |
| গাত্রবর্ণ |
উজ্জ্বল শ্যামলা,ফর্সা ও উজ্জ্বল ফর্সা। |
| নূন্যতম উচ্চতা |
৫'.১" ইঞ্চি |
| নূন্যতম শিক্ষাগত যোগ্যতা |
হাফেজা, আলেমা, ফাজিল, কামিল পড়াশোনা এবং তাঁর মধ্যে অবশ্যই দ্বীনদারীতা থাকতেই হবে এর সাথে কুরআনের হিফয থাকতেই হবে।তার পাশাপাশি কুরআন ও হাদিস বিষয়ে গভীর জ্ঞান থাকতে হবে। |
| জেলা |
ঢাকা,মুন্সিগঞ্জ,নারায়ণগঞ্জ এর দিকে হলে বেশি ভালো হয়। তবে, ঢাকা বিভাগ ছাড়াও অন্যান্য বিভাগ বা এর আশেপাশে হলেও সমস্যা নেই, আলোচনা সাপেক্ষে সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে, ইনশা আল্লাহ। |
| বৈবাহিক অবস্থা |
অবিবাহিত |
| পেশা |
কওমি/আলিয়া মাদ্রাসার ছাত্রী,মাদ্রাসার শিক্ষিকা,কোন দ্বীনি প্রতিষ্টানে খেদমতরত আছে এমন। |
| অর্থনৈতিক অবস্থা |
নিম্নমধ্যবিত্ত, মধ্যবিত্ত, উচ্চ-মধ্যবিত্ত। তার পাশাপাশি "কুফু" বিষয়টি ও জরুরি মনে হচ্ছে। |
| পারিবারিক অবস্থা |
সামাজিক ভাবে সম্মানিত,শিক্ষিত পরিবার, দ্বীনদার, আমলীওযুহুদ পরিবার। |
| জীবনসঙ্গীর যে বৈশিষ্ট্য বা গুণাবলী আশা করেন |
আমি আশা করি, আমার আহলিয়া একজন হাফেজা,আলেমা,তাকওয়াবান,পরহেজগার,আমলীওযুহুদ এককথায় দ্বীনদার আল্লাহভীরু হবে,সাথে তাঁর পরিবার ও দ্বীনদার, তাকওয়াবান, পরহেজগার,আমলীওযুহুদ পরিবার হবে।যিনি কুরআন ও সুন্নাহ অনুযায়ী আমল করা ও সবকিছুতে মহান আল্লাহ সুবহানাহু ওয়াতাআ'লা কে পূর্ণ ভয় করে চলবে এবং আমাকেও চলতে সহায়তা করবে।তাঁর মধ্যে শিরক,বিদ'আত, কুফর ও কুসংস্কার সম্পর্কে পূর্ণ জ্ঞান থাকবে এবং তা থেকে নিজেকে,স্বামীকে ও পরিবারকে হেফাজতে রাখবে।দ্বীনি বিষয়ে বিশুদ্ধ জ্ঞান রাখবে এবং দ্বীনের ব্যাপারে হবে কঠোর ও দুনিয়াবিমুখ।ইসলামের প্রতিটি বিধান সম্পর্কে যত্নশীল হবে এবং সহীহ আকিদা সম্পর্কে ধারনা রাখবে। হালাল-হারাম মেনে চলবে এবং যেকোনো গুনাহ সম্পর্কে অন্তরে রাখবে ভয়। তিনি সর্বাবস্থায়,পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতার সাথে ওযূর সহিত থাকবে।নিয়মিত নফল সালাত পড়া, কুরআন তিলওয়াত করা, মাসনুন দোআ পড়া এবং সাপ্তাহিক ও মাসিক নফল রোজা রাখার প্রতি যত্নশীল হবে। ফরজ ইবাদতের প্রতি থাকবে কঠোর।যেমনঃ ইচ্ছায়/অলসতায় ১ ওয়াক্ত নামাজ বড় ধরনের ওযর ব্যতীত ছেড়ে দিতে পারবেই না কোনভাবে।পাত্রী নিজের চরিত্র বিশুদ্ধ রাখতে এবং পরবর্তী প্রজন্মকে নেককার এবং দ্বীনের দায়ী হিসেবে গড়ে তোলার নিয়তে বিয়ে করতে আগ্রহী হবে।চরিত্র গঠনের উপায়ে সকল নেকগুনগুলোকে নিজের মধ্যে অর্জন করার চেষ্টা করবে।অর্থাৎ, উত্তম চরিত্রের অধিকারী হবে। তিনি সাধারণত শান্ত-শিষ্ট,নম্র-ভদ্র,মিশুক,পরোপকারী,বুদ্ধিমতী হবে এবং হারাম রিলেশনশীপ থেকে মুক্ত থাকবে,সে হবে আমার চক্ষুশীতলকারী।চরিত্র গঠনের সকল বদগুনগুলোকে এড়িয়ে চলবে।তিনি সাধারণত, "মিথ্যা কথা বলা, অন্যের গীবত করা, চোগলখোরি করা,হিংসাত্মক দৃষ্টিভঙ্গি থাকা, রাগী হওয়া, অহংকারী হওয়া, ঝগড়াঝাটি করা থেকে মুক্ত থাকবেন।সন্তানেরা সাধারণত মায়ের কাছ থেকেই আদব-আখলাক এবং আকিদা শিখে থাকে। তাই, তাঁকে অবশ্যই উত্তম চরিত্রের হতেই হবে।সর্বাবস্থায়, নিজ পরিবার ও স্বামীর সংসারে মাহরাম ও গাইরে মাহরাম মেনে চলবে, সেটা কি অনলাইনে/অফলাইনেই হোক।আমি চাই আমার আহলিয়া খাস পর্দানশীল(নিকাব সহ পর্দা) হবেন।তাঁর হাতের আংগুল কেউ দেখুক এটাও আমার গায়রতে লাগবে। আমি চাইবো উনি যাতে উনার চোখটাও ঢেকে রাখে, বর্তমান ফিতনা থেকে বেঁচে থাকার জন্য।পরপুরুষ/নিকটাত্মীয়ের সাথে কোন কারনে যদি কথা বলতে হয়,তাহলে এমন ভাবে কথা বলবে যেন তাঁর কথায় তাঁরা আকৃষ্ট না হয়,প্রয়োজন হলে কর্কশ ভাষায় কথা বলবে।সর্বাবস্থায়, পর্দার সাথে চলা-ফেরা করবে।অযথা ও অপ্রয়োজনীয় কাজে কারো সাথে গল্প করা ও সময় কাটানো এড়িয়ে চলবে।সময় ও পরিবারের প্রতি যত্নশীল থাকবে।বিয়ের পর যেকোনো পরিস্থিতিতে আল্লাহ তা'আলার উপরই তাওয়াক্কুল করবে।বিপদ-আপদে ধৈর্য ধারন করবে, সে হবে একজন ধৈর্যশীল নারী। যেকোন কিছুতে স্বামীর শুকরিয়া আদায়কারিনী হবে।স্বামীর প্রতি পূর্ণ আনুগত্যশীল থাকবে,সাহাবিদের মতো দুনিয়াবিমুখ ও আখিরাতমুখী চিন্তা-চেতনা লালনাকারী হবে। তাঁর মধ্যে অভাবকে মানিয়ে নেয়ার মন-মানসিকতা থাকবে।তিনি সবকিছুতে অল্পে সন্তুষ্টি থাকবেন এবং স্বামীর সামর্থ্য অনুযায়ী চাহিদা থাকবে।আল্লাহর নিয়ামতের শুকরিয়া আদায় করবে,তাঁরই উপর পূর্ণ ভরসা করবে।স্বামী ও নিজ সংসারকে ভালোবাসা ও আন্তরিকতার সঙ্গে আগলে রাখার ও সম্পদের হেফাজত করার মানসিকতা রাখবে। স্বামীর সংসার ও নিজ বাবা-মা ও আত্মীয় স্বজনদের সঙ্গে ভালো ব্যবহার ও কথা-বার্তায় ভারসাম্য বজায় রাখবে।তিনি তাঁর শশুর-শাশুরির সঙ্গে আন্তরিক ও সর্বাবস্থায় শ্রদ্ধাশীল থাকবে।তাঁর মধ্যে সাংসারিক কাজে ঘর গুছিয়ে রাখাসহ যা যা প্রয়োজন সব জানা থাকবে এবং সে কাজগুলো নিজ ইচ্ছা থেকে করার মানসিকতা থাকবে। বিশেষ করে, রান্না-বান্না,সন্তান লালন-পালন ইত্যাদি কাজ জানা থাকবে। তাঁর পাশাপাশি হাতের কাজ, যেমনঃ- সেলাই মেশিনের কাজ জানা থাকলে উত্তম হবে। তাঁর মধ্যে সঠিক বিষয় মেনে নেয়ার দৃষ্টিভঙ্গি থাকতে হবে। যেমনঃ- "ফিকহী/মাসআলার " ক্ষেত্রে। আমার আদেশ যদি আল্লাহ তা'আলার হুকুম এবং রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর সুন্নাহ অনুযায়ী হয়, তাহলে অবশ্যই পালন করতে হবে। আর কোন কাজ বা কথা যদি বিপরীতে দিকে যায়, তাহলে আমার ভুল ধরিয়ে দিবে।নিজেকে শুধরিয়ে নিবো, ইনশা আল্লাহ।তিনি সত্যিকারের ইসলামি পরিবার গঠনে আমাকে সাহায্য-সহযোগিতা করবে।তিনি কুরআনের সকল বিধানকে নির্দ্বিধায় মেনে নেবে এবং রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামকে সর্বোত্তম আদর্শ হিসেবে গ্রহন করবে।সাহাবিদের জীবনকে অনুকরণীয় আদর্শ মনে করবে।যিনি চেষ্টা করবেন একজন আদর্শ স্ত্রী, সন্তানের জন্য একজন আদর্শ মা হতে এবং সন্তানদের দ্বীনের খেদমতকারী বানানোর জন্য আল্লাহ সুবহানাহু ওয়াতাআ'লার কাছে দোআ করবে। "নিশ্চয়ই আমার সালাত,কুরবানি,যাবতীয় ইবাদত, আমার জীবন ও মরন সৃষ্টিকুলের রব্ব আল্লাহরই জন্য।সর্বোপরি, আল্লাহ তা'আলাকে এবং রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম কে,সালাতকে,সিয়ামকে,,নিজের জীবন, পরিবার পরিজন, ধন-সম্পত্তি ও দুনিয়ার সকল কিছু থেকে বহুগুণে বেশি ভালোবাসবে"।★রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন, " নারীদের (সাধারণত) ৪টি বিষয় দেখে বিয়ে করা হয়। তাঁর ধন-সম্পদ,বংশমর্যাদা, রূপসৌন্দর্য্য এবং তাঁর দ্বীনদারী।তবে,তুমি দ্বীনদারী নারী বিয়ে করো, অন্যথায় তুমি ক্ষতিগ্রস্থ হবে"।[সহীহ বুখারী হাঃ ৫০৯০নং]।আরো একটা হাদিসে বলেন, "তোমরা যে ব্যক্তির দ্বীনদারী ও নৈতিক চরিত্রে সন্তুষ্ট আছ, তোমাদের নিকট সে ব্যক্তি বিয়ের প্রস্তাব করলে,তবে তাঁর সাথে তোমাদের মেয়েদের বিয়ে দাও, তা যদি তোমরা না কর, তাহলে পৃথিবীতে ফিতনা-ফ্যাসাদ ও চরম বিপর্যয় সৃষ্টি হবে। [সুনানে ইবনে মাজাহ হাঃ ১৯৬৭নং]।আল্লাহ আমাদের বিবাহকে সহজ করুক, আমিন।" হে আল্লাহ, আপনি আমাদের এমন স্ত্রী ও সন্তানাদি দান করুন, যারা আমাদের চক্ষুশীতল করবে।আর আপনি আমাদেরকে মুত্তাকীদের নেতা বানিয়ে দিন। আমিন।[ সূরা আল ফুরকান --৭৪নং আয়াত]।যারা ফ্রি-মিক্সিং/হারাম রিলেশনশিপে জড়িত আছেন বা ছিলেন তাঁরা দয়া করে যোগাযোগ করবেন না।
সবশেষে একটা কথাই বলবো, "মহান আল্লাহ সুবহানাহু ওয়াতাআ'লা কে যে নারী পরিপূর্ণ ভাবে ভয় করে চলবে। আমার মনে হয় না, যে তাকে আর বেশি কিছু লিখে জানিয়ে দিতে হবে। |