বায়োডাটার নম্বর:17940

বায়োডাটার ধরন পাত্রের বায়োডাটা
বৈবাহিক অবস্থা অবিবাহিত
জন্ম তারিখ 28-May-1998
বয়স Current age is 27 Years 11 Montns 3 Days
স্থায়ী ঠিকানা (জেলা) রাজবাড়ী
স্থায়ী ঠিকানা (উপজেলা) গোয়ালন্দ
বর্তমান ঠিকানা (জেলা) ঢাকা
বর্তমান ঠিকানা (উপজেলা) ঢাকা উত্তর সিটি কর্পোরেশন
গাত্রবর্ণ উজ্জ্বল শ্যামলা
উচ্চতা ৫'৫''
ওজন ৫৫ কেজি
রক্তের গ্রুপ O+
পেশা মার্কেটিং
প্রস্তাব পাঠান প্রস্তাব পাঠানোর জন্য প্যাকেজ কিনুন এই বায়োডাটার সাথে যোগাযোগ করুন

ঠিকানা

স্থায়ী ঠিকানা নুরু মন্ডল পাড়া।
বর্তমান ঠিকানা মিরপুর

শিক্ষাগত যোগ্যতা

কোন মাধ্যমে পড়াশোনা করেছেন? জেনারেল
মাধ্যমিক (SSC) / সমমান পাশ করেছেন? হ্যাঁ
মাধ্যমিক (SSC) / সমমান বিভাগ বিজ্ঞান বিভাগ
মাধ্যমিক (SSC) / সমমান পাসের সন 2018
উচ্চ মাধ্যমিক (HSC) / সমমান পাশ করেছেন? হ্যাঁ
উচ্চ মাধ্যমিক (HSC) / সমমানের বিভাগ মানবিক বিভাগ
উচ্চ মাধ্যমিক (HSC) / সমমান পাসের সন 2020
স্নাতক / স্নাতক (সম্মান) / সমমান শিক্ষাগত যোগ্যতা BBA IN BANGLA DEPARTMENT
শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের নাম সরকারি রাজেন্দ্র কলেজ, ফরিদপুর

পারিবারিক তথ্য

পিতার পেশা অবসরপ্রাপ্ত (ব্যবসায়ী ছিলেন)
মাতার পেশা গৃহিণী
বোন কয়জন? বোন নেই
ভাই কয়জন? 1
ভাই বোনদের পেশা ভাই বেসরকারি চাকুরীজীবি, মাস্টার্সে পড়েন।
পরিবারের অর্থনৈতিক ও সামাজিক অবস্থা নিম্নমধ্যবিত্ত

ব্যক্তিগত তথ্য

আপনার দাঁড়ি আছে কি? ছোট করে ছেটে দাড়ি রেখেছি
পায়ের টাখনুর উপরে কাপড় পরেন? জ্বি
ঘরের বাহিরে সাধারণত কী ধরণের পোশাক পরেন? কর্মস্থলে ফর্মাল পোশাক, ঘরের মধ্যে সাধারণ পোশাক।
প্রতিদিন পাঁচ ওয়াক্ত নামাজ পড়া হয়? পাচ ওয়াক্ত হয় না
নিয়মিত নামায কত সময় যাবত পড়ছেন? ৫-৬ বছর যাবত
মাহরাম/নন-মাহরাম মেনে চলেন কি? পুরোপুরি হয় না। যথাসম্ভব চেষ্টা করি।
শুদ্ধভাবে কুরআন তিলওয়াত করতে পারেন? শুদ্ধভাবে পাড়ি না।
কোন মাঝহাব অনুসরণ করেন? কুরআন সুন্নাহভিত্তিক শাস্ত্র মেনে চলি।
কোনো রাজনৈতিক দর্শন থাকলে লিখুন নেই।
নাটক/সিনেমা/সিরিয়াল/গান এসব দেখেন বা শুনেন? যথাসম্ভব এড়িয়ে চলার চেষ্টা করি
মানসিক বা শারীরিক কোনো রোগ আছে কি? আলহামদুলিল্লাহ নেই।
দ্বীনের কোন বিশেষ মেহনতে যুক্ত আছেন? আপাতত নেই।
আপনি কি কোনো পীরের মুরিদ বা অনুসারী? না।
মাজার সম্পর্কে আপনার ধারণা বা বিশ্বাস কি? কবর মাত্র।
আপনার পছন্দের অন্তত ৩ টি ইসলামী বই এর নাম লিখুন বেলা ফুরাবার আগে, পড়ো, হায়াতের দিন ফুরোলে, লাভ ক্যান্ডি।
আপনার পছন্দের অন্তত ৩ জন আলেমের নাম লিখুন ডক্টর জাকির নায়েক, ওস্তাদ নোমান আলী খান
নিজের সম্পর্কে কিছু লিখুন প্রিয়। তোমায় ভালোবাসি আল্লাহর জন্য। আমার এ ভালোবাসা হৃদয়ের গহীন থেকে। এ ভালোবাসায় কোনো খাঁদ নেই। নিখাঁদ ভালোবাসা নিয়ে আছি তোমার অপেক্ষায়, প্রতিক্ষায়। সালাত শেষে যখন পরিশুদ্ধ হৃদয় নিয়ে প্রভুর কাছে মিনতি জানাই,তখন আমার সে মিনতির অংশ হও তুমি। সূর্যাস্তের আগে যখন দু'হাত তুলি তখনো আমার দোয়ার অংশ হও তুমি। এ পৃথিবীতে ভালোবাসার গল্প অনেক। কারো ভালোবাসার গল্প থাকে স্বার্থের জালে মোড়ানো। কারো থাকে হীন স্বার্থ চরিতার্থ করার লক্ষ্যে। আবার কারো ভালোবাসার গল্প হয় নিঃস্বার্থ। কেবল আল্লাহর জন্য। সে গল্পগুলো হৃদয় ছুয়ে যায়। হৃদয় জগতে স্নিগ্ধতার পরশ বুলিয়ে দেয়। প্রকৃত ভালোবাসায় 'ভালোবাসি' বলতে হয় না। সাময়িক ভালো ব্যবহার, হৃদয়কাড়া কথামালা আর মন ভোলানো দামি উপহারেরও প্রয়োজন হয় না। এগুলো ছাড়াও ভালোবাসা যায়।কারণ ভালোবাসায় সম্পর্ক হৃদয়ের সাথে। হৃদয়ের কোমল পরশে বেড়ে ওঠা বিন্দু বিন্দু ভালোবাসার কণা যখন জমাট বেঁধে এক চিলতে মুচকি হাসিতে আত্মপ্রকাশ করে তখনো ভালোবাসা হয়। ভালোবাসার প্রকাশ হয়। ঐ যে,কুঁড়েঘর! বস্তিতে বসবাস করা লোকগুলো! ঋণের চাপে যারা কোমর সোজা করতে পারে না! মুখ ফুটে ভালোবাসার দুটো কথা বলার মতো ফুসরত নেই, ফুসরত থাকলেও লজ্জায় আড়ষ্ট জিহ্বা, সন্তানকে পড়াশোনা করানোর মতো যাদের সামর্থ্য নেই, এক ইদের জামা দিয়ে যারা বহু ইদ পালন করে, ক্ষুধা মেটানোর জন্য যারা দ্বারে দ্বারে ভিক্ষার থাল নিয়ে ঘুরে; দেখে এসো ভালোবাসার সোনার হরিণ তাদের ঘরেও প্রতিপালিত হয়। প্রিয়! দু'টো কথায় কারো কারো ভালোবাসার অনুভূতি লীন হয়ে যায়। জীবনের বাস্তবতায় দীর্ঘ দিন বুকের মাঝে পোষা পাখি মুহূর্তেই পিঞ্জর ছেড়ে উড়াল দেয়। অভাব যখন দরজা দিয়ে প্রবেশ করে ভালোবাসা তখন জানালা দিয়ে পালিয়ে যায়। কিন্তু প্রকৃত ভালোবাসা কখনো মলিন হয় না। প্রিয়কে বুকে জড়িয়ে একসাথে জীবন যুদ্ধে অবতীর্ণ হয়।ভালোবাসার ভেলায় চড়ে এক অনন্ত সুখের দিকে যাত্রা শুরু করে। সবকিছুর যথার্থ সময় আছে। অসময়ে কিছুই ভালো হয় না। ভালোবাসারও একটা সময় আছে অসময়ে ভালোবাসা কেবল দুঃখ বয়ে আনে। ভালোবাসার কোমল ত্বক বিষাক্ত কাঁটার আঘাতে ক্ষতবিক্ষত করে । অসময়ে ভালোবাসায় স্বার্থপরতা থাকে। প্রতিটি কথা এবং প্রতিটি পদক্ষেপেই সেখানে স্বার্থ জড়ানো। হয় সে স্বার্থ পার্থিব, নয়তো জেগে ওঠা লালসা মেটানো। ভালোবাসা মানুষের দুর্বলতা। যে-ই ভালোবাসার মুখোশ পরে তাকেই ভালো মনে হয়। তার প্রতিই বিশ্বাস জন্মে।তার প্রতিই দুর্বল হয়ে যায়। ফলে ভালোবাসার দুর্বলতাকে পুঁজি করে অমানবিক খেলায় মেতে ওঠে কেউ কেউ। সামাজিক সম্পর্কহীন সেই মোখিক ভালোবাসা কাল হয়ে দাঁড়ায় জীবনে। ভালোবাসার কথা বলে যে মালা গলায় জড়িয়ে ছিল তাই কালক্রমে ফাঁসির রজ্জু হয়ে গলায় শ্বাস রোধ করে। বিয়ে মানে ভালোবাসার গলায় ছুরি চালিয়ে ভালোবাসাকে হত্যা করা নয়; বরং বিয়ে হলো হৃদয়ের উর্বর ভূমিতে পড়া ভালোবাসার কোমল বীজকে সবার অনুমতি নিয়ে বাড়িয়ে তোলা।লুকিয়ে লুকিয়ে ভালোবাসার যে প্রকাশ ঘটানো হয়,তাই যখন বৈধ পন্থায় হয় তখন সে ভালোবাসার স্বাদ বেড়ে যায় আরো বহুগুণ। ভালোবাসার জন্য সব করতে প্রস্তুত অনেকে। ভালোবাসার প্রমানও দিতে পারে নানাভাবে। কিন্তু বিয়ে ভীতি তাদের কুঁড়ে কুঁড়ে খায়।অনন্তকাল একসাথে থাকার বৈধ কাগজে দন্তথতে তারা থমকে দাঁড়ায়। নানা অজুহাতে পাশ কাটিয়ে যায়। অথচ ভালোবাসার প্রকৃত প্রমাণ জীবনসঙ্গী হয়ে চলার ঐ অঙ্গীকারনামায়। প্রিয়! আমি তোমাকে ভালোবেসে একবার ফুল দেবো। সে ফুল আর কখনো ছিনিয়ে নেবো না।ভালোবাসি বলে একবার তোমার হাত ধরবো, সে হাত কখনো ছাড়বো না। একবার তোমার ওষ্ঠাধরে ভালোবাসার চুমু একেঁ দেবো,সে চুমু কখনো বিষাক্ত হবে না। অমিয় সুধা হয়ে রবে চিরকাল। তোমার পানে তাকালেই আমার পূণ্য হবে।তোমার ছোঁয়া পেলেই আমার পাপ মোচন হবে।তোমার মুখে লোকমা তুলে দিলে ঝরে পড়বে আমার পঙ্কিলতা। হে প্রিয়! আমি ত এমন পূণ্যময়ী তোমাকেই চাই! আমি ত এমন পরশ পাথরেই নিজেকে বিলীন করতে চাই। আল্লাহ তায়ালা মানুষ সৃষ্টির আগেই তার ভাগ্য নির্ধারণ করে দিয়েছেন। কে কী খাবে,কী পরবে,কোথায় থাকবে,কোথায় যাবে, কার সঙ্গে সংসার করবে,কে হবে ভালোবাসার সারথি – তার সবই চুড়ান্ত করা। যথাসময়েই ভালোবাসার মানুষের সাথে সাক্ষাৎ ঘটবে। ভাগ্য যা এবং যেমন নির্ধারিত তা নিয়ে আক্ষেপ–অস্থিরতা করেও কোনো লাভ নেই।ধৈর্যের ফল মিঠা হয়। তাই আমি আল্লাহর উপর ভরসা করে আছি।তোমাকে পাওয়ার জন্য আমি প্রবল ব্যস্ত প্রায়। গভীর নিশিতে যখন পৃথিবী নিস্তব্ধ হয়ে যায় তখন নামাজে দাড়িয়ে আল্লাহর দরবারে তোমায় তালাস করবো।প্রতি ওয়াক্তে সালাতের পর নিবেদনে তোমার মিলনের আবেদন জানাবো ইনশাআল্লাহ। আমি জানি আল্লাহ চাইলে আজ না হয় কাল আমাদের দেখা হবে! ভালোবাসার এক বন্ধনে আবদ্ধ হবো দুজনে।আমাদের সে ভালোবাসা কখনো ফুরোবে না,লীন হবে না, মলিন হবে না কারণ সে ভালোবাসা হবে কেবলই আল্লাহর জন্য।

বিয়ে সংক্রান্ত তথ্য

অভিভাবক আপনার বিয়েতে রাজি কি না? জ্বি
বিয়ে কেন করছেন? বিয়ে সম্পর্কে আপনার ধারণা কি? বিয়ে মহান আল্লাহর এক বিশেষ নেয়ামত। রাসুল সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর গুরুত্বপূর্ণ একটি সুন্নত। ইমানের পূর্ণতার সহায়ক। যুবক-যুবতীর চরিত্র গঠনের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ উপাদান। বিয়ের মাধ্যমে রিযিক বৃদ্ধি পায়। আদর্শ পরিবার গঠন এবং জৈবিক চাহিদার পূরন এবং মানসিক প্রশান্তি লাভের প্রধান উপকরণ হচ্ছে বিয়ে যা প্রত্যেক মানুষের স্বভাবজাত চাহিদা। বিয়ে হচ্ছে এমন একটি সামাজিক বন্ধ যা কেবল দুটি মনেরই মিলন করে না বরং দুটি পরিবারের মধ্যেও সম্পর্ক তৈরি করে।এছাড়াও বিয়ের অনেক উপকারিতা রয়েছে, সবচেয়ে বড়ো উপকার স্বাস্থ্যের উপকার। আরও শারীরিক এবং মানসিক দুটোরই। আর দুজনের মধ্যে পারস্পরিক ভালোবাসা স্থাপনের জন্য বিবাহের চেয়ে উত্তম আর কিছুই নেই।
বিয়ের পর স্ত্রীর পর্দার ব্যবস্থা রাখতে পারবেন? ইনশাআল্লাহ, সর্বোচ্চ চেষ্টা করবো।
বিয়ের পর স্ত্রীকে পড়াশোনা করতে দিতে চান? আলোচনা সাপেক্ষে
বিয়ের পর স্ত্রীকে চাকরী করতে দিতে চান? ইচ্ছে নেই
বিয়ের পর স্ত্রীকে কোথায় নিয়ে থাকবেন? আলোচনা সাপেক্ষে
বিয়ে উপলক্ষে আপনি বা আপনার পরিবার পাত্রীপক্ষের কাছে যৌতুক বা উপহার বা অর্থ আশা করবেন কি না? না

পেশাগত তথ্য

পেশা সম্পর্কিত তথ্য আমি পড়াশোনা করি। এখনো একজন শিক্ষার্থী। পাশাপাশি বেসরকারি একটা কোম্পানিতে মার্কেটিং পোস্টে জব করি।
বিশেষ কিছু যদি জানাতে চান আমরা গ্রামে বসবাস করতাম। অজপাড়াগাঁ বললেও ভুল হবে না। যার দরুন আধুনিক শিক্ষার যেমন কমতি ছিলো তেমন ছিলো দ্বীনি শিক্ষারও অনেক অভাব। দ্বীন বলতে কেবল নামাজ রোজাই বুঝতাম আমরা। তবে এখন ধীরে ধীরে পরিবর্তনের চেষ্টা করছি। এটা একটা যুদ্ধের মতো। আর এই যুদ্ধে বিজয়ী হওয়ার জন্য একজন সহযোগী প্রয়োজন। একজন সহচরী দরকার। আমি চাই পরিবর্তনের এই সূচনা আমাদের মধ্যে দিয়েই হোক।আল্লাহ চাইলে একদিন পরিপূর্ণ দ্বীনদার পরিবার গঠন করবো ইংশা আল্লাহ।

যেমন জীবনসঙ্গী আশা করেন

সর্বোচ্চ বয়স ২৫
গাত্রবর্ণ যেকোনো
নূন্যতম উচ্চতা ৫"
নূন্যতম শিক্ষাগত যোগ্যতা মাধ্যমিক বা আলিম,
জেলা যেকোনো বা ঢাকা
বৈবাহিক অবস্থা অবিবাহিত
পেশা শিক্ষার্থী
অর্থনৈতিক অবস্থা সচ্ছল বা অসচ্ছল
পারিবারিক অবস্থা নিম্নমধ্যবিত্ত বা মধ্যবিত্ত
জীবনসঙ্গীর যে বৈশিষ্ট্য বা গুণাবলী আশা করেন বিনয়ী, ধৈযশালী এবং সদাচরণী হতে হবে। আমার পরিবারকে যে নিজের পরিবার মনে করবে। আমার দুঃখগুলোকে যে নিজের করে নিবে। এবং আমার সুখও হবে যার নিজের সুখ। সত্যবাদী এবং অতিরিক্ত চাহিদা যার থাকবে না। দানশীল হতে হবে। যেহেতু আমাদের সমাজ এবং পরিবার দ্বীন সম্পর্কে অঙ্গ তাই সবকিছু ম্যানেজ করে চলার সক্ষমতা রাখতে হবে। সর্বোপরি আমি এমন একজন সালিহা জীবনসঙ্গী কামনা করি, যে আমাকে হাত ধরে জান্নাতে নিয়ে যাবে। আর তার গর্ভ থেকে আমাদের ঘরে এমন এক সন্তান জন্ম নিবে যাকে সে উত্তমরূপে প্রতিপালন করবে। আমাদের সন্তান যুবক বয়সে উপনিত হবে। সে হবে সুদক্ষ আরোহী। সে-ই বায়তুল মাকদিসের স্বাধীনতা উম্মাহর কাছে ফিরিয়ে আনবে।
Chat