ঠিকানা
|
| স্থায়ী ঠিকানা |
বাঁশবুনিয়া |
| বর্তমান ঠিকানা |
বদরপুর |
শিক্ষাগত যোগ্যতা
|
| কোন মাধ্যমে পড়াশোনা করেছেন? |
জেনারেল |
| মাধ্যমিক (SSC) / সমমান পাশ করেছেন? |
হ্যাঁ |
| মাধ্যমিক (SSC) / সমমান বিভাগ |
মানবিক বিভাগ |
| মাধ্যমিক (SSC) / সমমান পাসের সন |
2022 |
| উচ্চ মাধ্যমিক (HSC) / সমমান পাশ করেছেন? |
হ্যাঁ |
| উচ্চ মাধ্যমিক (HSC) / সমমানের বিভাগ |
ব্যবসা বিভাগ |
| উচ্চ মাধ্যমিক (HSC) / সমমান পাসের সন |
2024 |
| অন্যান্য শিক্ষাগত যোগ্যতা |
২০১৩ সালে সমাপনী পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হয়ে ২০১৪ সালে কওমি মাদ্রাসায় ভর্তি হই ২০১৯ সালে জেনারেল থেকে জেএসসি পাস করি এবং ২০২১ সালে ঢাকা বোর্ড থেকে ক্বারী পাশ করি এবং ২০২২ সালে দাখিল মাদ্রাসা থেকে এসএসসি পরীক্ষা সম্পন্ন করে পাশাপাশি মসজিদ মাদ্রাসায় খেদমত করি এবং পাশাপাশি ২০২৪ সালে কলেজ থেকে এইচএসসি পাস করি এবং এখন বর্তমানে ২০২৫ সালের জন্য ডিপ্লোমা ইন নার্সিং এর প্রিপারেশন নিতেছি ইনশাআল্লাহ। |
পারিবারিক তথ্য
|
| পিতার পেশা |
নিজস্ব দোকানে কাপড়ের ব্যবসা করেন ও নিজস্ব জমিতে কৃষি করেন। |
| মাতার পেশা |
Rabbaitul Bait (ربيط البيت): the Queen of Home |
| বোন কয়জন? |
3 |
| ভাই কয়জন? |
1 |
| ভাই বোনদের পেশা |
1.Married Rabbaitul Bait (ربيط البيت): the Queen of Home
2.Married Rabbaitul Bait (ربيط البيت): the Queen of Home
3.Married Rabbaitul Bait (ربيط البيت): the Queen of Home
Third Sister Senior Staff Nurse Patuakhali Medical College.
ছোট ভাই মায়ের সাথে বাড়িতে থাকেন। |
| চাচা মামাদের পেশা |
বড় চাচা যুদ্ধের সময় মারা যায়।
মেজ চাচা বিচারক সালিসি করেন।
সেজ চাচা সাব-ইন্সপেক্টর (এসআই)
মামা নেই। |
| পরিবারের অর্থনৈতিক ও সামাজিক অবস্থা |
আলহামদুলিল্লাহ সামাজিক ভাবে সম্মানিত। |
ব্যক্তিগত তথ্য
|
| আপনার দাঁড়ি আছে কি? |
জ্বী, সুন্নতি দাড়ি রেখেছি |
| পায়ের টাখনুর উপরে কাপড় পরেন? |
হ্যাঁ। |
| ঘরের বাহিরে সাধারণত কী ধরণের পোশাক পরেন? |
জুব্বা,পাঞ্জাবি,পায়জামা,লুঙ্গি,টুপি। |
| প্রতিদিন পাঁচ ওয়াক্ত নামাজ পড়া হয়? |
হ্যাঁ আলহামদুলিল্লাহ। |
| নিয়মিত নামায কত সময় যাবত পড়ছেন? |
২০১৪ সাল থেকে। |
| মাহরাম/নন-মাহরাম মেনে চলেন কি? |
হ্যাঁ অবশ্যই। |
| শুদ্ধভাবে কুরআন তিলওয়াত করতে পারেন? |
হ্যাঁ আলহামদুলিল্লাহ। |
| কোন মাঝহাব অনুসরণ করেন? |
হানাফী। |
| কোনো রাজনৈতিক দর্শন থাকলে লিখুন |
না |
| নাটক/সিনেমা/সিরিয়াল/গান এসব দেখেন বা শুনেন? |
না। |
| মানসিক বা শারীরিক কোনো রোগ আছে কি? |
না। |
| দ্বীনের কোন বিশেষ মেহনতে যুক্ত আছেন? |
হ্যাঁ মাদরাসার খেদমতে আলহামদুলিল্লাহ। |
| আপনি কি কোনো পীরের মুরিদ বা অনুসারী? |
না |
| মাজার সম্পর্কে আপনার ধারণা বা বিশ্বাস কি? |
সম্পূর্ণ হারাম। |
| আপনার পছন্দের অন্তত ৩ টি ইসলামী বই এর নাম লিখুন |
হেকায়েতে সাহাব, বেহেশতি জেওর, সিরাতে খাতামুল আম্বিয়া। |
| আপনার পছন্দের অন্তত ৩ জন আলেমের নাম লিখুন |
ডাঃ জাকির নায়েক, ডাঃ মিজানুর রহমান আজহারী, শায়েখ আহমাদুল্লাহ। |
| বিশেষ দ্বীনি বা দুনিয়াবি যোগ্যতা (যদি থাকে) |
আল্লাহর নৈকট্য অজর্ন মুমিন মুসলমানের একমাত্র কামনা। এ জন্য আল্লাহ তাআলা মানুষকে তাঁর নৈকট্য অর্জনের জন্য যুগে যুগে নবি-রাসুল প্রেরণ করেছেন। তাঁর বিধান মানার দিক-নির্দেশনা দিয়েছেন। কুরআন ও সুন্নাহর বিধি-বিধান পালনের পাশাপাশি আল্লাহ তাআলার সবচেয়ে প্রিয় কথার জিকির দ্বারাও তাঁর নৈকট্য অর্জন সম্ভব। এমনি চারটি প্রিয় কথা তুলে ধরা হলো-হজরত সামুরা বিনতে জুনদুব থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেছেন, আল্লাহর নিকট সবচেয়ে প্রিয় কথা হলো চারটি->> সুবহানাল্লাহ (سُبْحانَ الله)>> আলহামদুলিল্লাহ (اَلْحَمْدُ لِله)>> লা ইলাহা ইল্লাল্লাহ (لَا اِلَهَ اِلَّا الله) এবং >> আল্লাহু আকবার (اَللهُ اَكْبَر)।এর যে কোনো একটির দ্বারাই (জিকির) আরম্ভ করা যেতে পারে। (মুসলিম)আল্লাহ তাআলা সকাল-সন্ধ্যায় এ ছোট এবং গুরুত্বপূর্ণ কথার দ্বারা জিকির করার তাওফিক দান করুন। আমিন। |
| নিজের সম্পর্কে কিছু লিখুন |
আল্লাহর হুকুম আহকাম রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের সুন্নত মোতাবেক জীবন যাপন করতে সবথেকে বেশি ভালোবাসি।
একজন সৎ ও নেককার স্ত্রী স্বামীর জন্য রহমত ও অনেক বড় নেয়ামত। নেককার স্ত্রীকে দুনিয়ার সব থেকে উত্তম সম্পদ হিসেবে গণ্য করেছেন রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম। স্ত্রী হিসেবে একজন নেককার নারী তালাশ করা সকল পুরুষের কর্তব্য। আর প্রতিটি নারীর কর্তব্য, স্বামীকে দ্বীনের কাজে পরিপূর্ণ সহযোগিতা করা।
করবে। -(তাফসীরে ইবনে কাসীর ২/৫৪৮ (দারুল ফিকর); মুসনাদে আহমাদ, হাদীস ২৩১০১, ২২৩৯২)
এ প্রসঙ্গে রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম ইরশাদ করেছেন, পার্থিব জগতটাই হল ক্ষণিক উপভোগের বস্তু। আর পার্থিব জগতের সর্বোত্তম সম্পদ (উপভোগের বস্তু) সাধ্বী নারী। -(সহীহ মুসলিম, হাদীস : ১৪৬৭; মুসনাদে আহমদ, হাদীস : ৬৫৬৭; সহীহ ইবনে হিববান, হাদীস : ৪০৩১)
এক হাদিসে হজরত আবু উমামা রা. হতে বর্ণিত, নবী করীম সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন, কোনো মুমিনের জন্য আল্লাহর তাকওয়া অর্জনের পর নেককার স্ত্রীর চেয়ে কল্যাণকর কিছু নেই। কারণ স্বামী তাকে আদেশ করলে সে আনুগত্য করে, তার দিকে দৃষ্টিপাত করলে সে (স্বামী) মুগ্ধ হয়। তাকে নিয়ে শপথ করলে সে তা (শপথকৃত কর্ম) পূরণ করে। স্বামীর অনুপস্থিতিতে নিজেকে (অন্যায়-অপকর্ম থেকে) এবং স্বামীর সম্পদ সংরক্ষণ করে।-(সুনানে ইবনে মাজাহ, হাদীস : ১৮৫৭)
হজরত আবু হুরায়রা রা. হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, নবী করীম সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামকে জিজ্ঞাসা করা হল, নারীদের মধ্যে কোন নারী উত্তম। তিনি বললেন, স্বামী যাকে দেখলে আনন্দবোধ করে, যাকে আদেশ করলে আনুগত্য করে, স্ত্রীর বিষয়ে এবং সম্পদের ব্যাপারে স্বামী যা অপছন্দ করে তা থেকে বিরত থাকে।-(মুসনাদে আহমদ, হাদীস : ৭৪২১; সুনানে নাসায়ী, কুবরা, হাদীস : ৮৯৬১)
স্ত্রী হিসেবে একজন নেককার নারী তালাশ করা সকল পুরুষের কর্তব্য। আর প্রতিটি নারীর কর্তব্য, স্বামীকে দ্বীনের কাজে পরিপূর্ণ সহযোগিতা করা। একজন নারীর কর্তব্য হলো স্বামীকে তার দ্বীনদারির ক্ষেত্রে সহযোগিতা, স্বামীকে দ্বীনের পথে চলার গুরুত্ব বোঝানো।
স্বামী যদি নামাজি হন, কিন্তু জামাতে নামাজের ব্যাপারে তার উদাসিনতা থাকে, তাহলে এ বিষয়ে তাকে উৎসাহ দেওয়া এবং প্রতি ওয়াক্তে মসজিদে যাওয়ার ব্যাপারে সহায়তা করা উচিত স্ত্রীর।
আমলের প্রতি স্বামীর আগ্রহ কম থাকলে অথবা কোনো আমল কিছুদিন শুরু করে আবার ছেড়ে দেওয়ার অভ্যাস থাকলে স্ত্রীর উচিত নিজের আমল বাড়িয়ে দেওয়া। এবং আল্লাহর কাছে স্বামীর জন্য দোয়া করা। এতে আমলের প্রতি স্বামীরও আগ্রহ তৈরি হবে ইনশাআল্লাহ। |
বিয়ে সংক্রান্ত তথ্য
|
| অভিভাবক আপনার বিয়েতে রাজি কি না? |
হ্যাঁ |
| বিয়ে কেন করছেন? বিয়ে সম্পর্কে আপনার ধারণা কি? |
বিয়ে মহান আল্লাহ তাআলার এক বিশেষ নেয়ামত ও রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম-এর গুরুত্বপূর্ণ একটি সুন্নত। ঈমানের পূর্ণতার সহায়ক। যুবক-যুবতীর চরিত্র গঠনের অন্যতম উপাদান এবং তা অনেক সাওয়াবেরও বটে।
আদর্শ পরিবার গঠন, মানুষের জৈবিক চাহিদা পূরণ এবং মানসিক প্রশান্তি লাভের প্রধান উপকরণ হচ্ছে বিয়ে, যা প্রত্যেক মানুষের স্বভাবজাত চাহিদা। মহান আল্লাহ রাব্বুল আলামিন পবিত্র কুরআনে বিয়ে সম্পর্কে অনেক আয়াত নাজিল করেছেন।বিয়ে সম্পর্কিত কুরআন এর এসব আয়াত আমাদের জন্য বিয়ের ব্যপারে পথ প্রদর্শক।
বিয়ে একজন নারী বা পুরুষের জীবনে অত্যন্ত গুরুত্বপুর্ণ বিষয়। বিয়ে ছাড়া আমাদের জীবন আনন্দময় হওয়া বা পরিপূর্ণতা লাভ করা কঠিন। তাই মহান আল্লাহ রাব্বুল আলামিন আমাদেরকে বিয়ে করতে উৎসাহিত করেছেন এবং বিয়ের মাধ্যমে আমরা যে প্রশান্তি লাভ করতে পারবো সে কথাও বলেছেন।
মহান আল্লাহ রাব্বুল আলামিন কুরআন কারীমে এই প্রসঙ্গে বলেন,
“আর এক নিদর্শন এই যে, তিনি তোমাদের জন্যে তোমাদের মধ্য থেকে তোমাদের সঙ্গিনীদের সৃষ্টি করেছেন, যাতে তোমরা তাদের কাছে শান্তিতে থাক এবং তিনি তোমাদের মধ্যে পারস্পরিক স¤প্রীতি ও দয়া সৃষ্টি করেছেন।” (সূরা রুম : আয়াত ২১)
স্বামী-স্ত্রী একে অপরের পরিপূরক। একজন ব্যতীত অন্য জনের চলা কষ্টকর। আর বিষয়টিকে বুঝানোর জন্য মহান আল্লাহ রাব্বুল আলামিন অন্যত্র বলেন,
“তারা (স্ত্রীগণ) তোমাদের পোশাক এবং তোমরা (স্বামীগণ) তাদের পোশাকস্বরূপ।” (সূরা বাকারা : আয়াত ১৮৭)।
একজন পুরুষের জন্য আর্থিক ভাবে স্বাবলম্বী হওয়া খুব জরুরী। কারণ বিয়ে সম্পর্কিত খরচ এবং বিয়ে পরবর্তী যত সাংসারিক ব্যয়ভার বহন করতে হবে তার সব কিছুই স্বামীর দায়িত্বে। এজন্য অনেক পুরুষই বিয়ের উপযুক্ত হওয়া সত্তে¡ও আর্থিক সমস্যার কারণে বিয়ে করতে চায় না বা বিয়ে করতে পারেনা।কিন্তু অন্য আয়াতে আল্লাহ তায়ালা তাদেরকে বিয়ের মাধ্যমে স্বাবলম্বী করার প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন।
“তোমাদের মধ্যে যারা বিবাহহীন, তাদের বিয়ে সম্পাদন করে দাও এবং তোমাদের দাস ও দাসীদের মধ্যে যারা সৎকর্মপরায়ণ, তাদেরও। তারা যদি নিঃস্ব হয়, তবে আল্লাহ নিজ অনুগ্রহে তাদেরকে স্বচ্ছল করে দেবেন। আল্লাহ প্রাচুর্যময়, সর্বজ্ঞ। যারা বিবাহে সমর্থ নয়, তারা যেন সংযম অবলম্বন করে যে পর্যন্ত না আল্লাহ নিজ অনুগ্রহে তাদেরকে অভাবমুক্ত করে দেন।” (সূরা নূর : আয়াত ৩২-৩৩)
এমনটি রাসুল সা.এর একাধিক হাদিসেও বর্ণিত হয়েছে।
কিন্তু তা তখনই সুফল বয়ে আনবে, যখন বিয়েটা হবে ইসলামিক দিকনির্দেশনায়।যেখানে থাকবে না পশ্চিমাদের কোনো কৃষ্টি-কালচার। অথচ অত্যন্ত পরিতাপের বিষয় হচ্ছে,আজ ইহুদী-খৃষ্টানদের বিয়ে বিষয়ক প্রথা গুলো আমাদের মুসলিম সমাজে এতটাই ছেয়ে গেছে যে,আমাদের সমাজে সেগুলো কে খুবই পছন্দ ও ভালো কাজ মনে করা হয়ে থাকে।সাথে সাথে একজন নেককার আদর্শ মুসলিম এর জন্য এরকম অপ্রয়োজনীয় কাজ করা কখনোই উচিত নয়। একারণেই দেখা যায় যে,আজ মানুষ বিয়ে করে থাকে ঠিকই, কিন্তু এর ভেতর থাকেনা কুরআন হাদিসের বর্ণিত বারাকাত ।থাকেনা সংসারে প্রশান্তি। |
| বিয়ের পর স্ত্রীর পর্দার ব্যবস্থা রাখতে পারবেন? |
হ্যাঁ |
| বিয়ের পর স্ত্রীকে পড়াশোনা করতে দিতে চান? |
হ্যাঁ |
| বিয়ের পর স্ত্রীকে চাকরী করতে দিতে চান? |
হ্যাঁ |
| বিয়ের পর স্ত্রীকে কোথায় নিয়ে থাকবেন? |
নিজের বাড়িতে অথবা নিজ কর্মস্থলে। |
| বিয়ে উপলক্ষে আপনি বা আপনার পরিবার পাত্রীপক্ষের কাছে যৌতুক বা উপহার বা অর্থ আশা করবেন কি না? |
না |
পেশাগত তথ্য
|
| পেশা সম্পর্কিত তথ্য |
শিক্ষক বদরপুর আহম্মদিয়া হিফজুল কুরআন নূরানী মাদরাসা।
ইমাম বাইতুল আমান জামে মসজিদ। |
| বিশেষ কিছু যদি জানাতে চান |
না |
যেমন জীবনসঙ্গী আশা করেন
|
| সর্বোচ্চ বয়স |
২১ বছরের উর্দ্ধে নয়। |
| গাত্রবর্ণ |
ফর্সা, উজ্জ্বল ফর্সা। |
| নূন্যতম উচ্চতা |
৫"১'-৫"৬' |
| নূন্যতম শিক্ষাগত যোগ্যতা |
হাফেজা আলেমা-নার্সিং কলেজের স্টুডেন্ট। |
| জেলা |
পটুয়াখালী |
| বৈবাহিক অবস্থা |
অবিবাহিত |
| পেশা |
মাদরাসা শিক্ষিকা অথবা নার্সিং কলেজের ছাত্রী। |
| অর্থনৈতিক অবস্থা |
সামাজিক ভাবে সম্মানিত হতে হবে ইনশাআল্লাহ। |
| পারিবারিক অবস্থা |
মধ্যবিত্ত |
| জীবনসঙ্গীর যে বৈশিষ্ট্য বা গুণাবলী আশা করেন |
স্ত্রীর কিছু বৈশিষ্ট্যের কারণে স্বামী তার প্রতি বেশি আকৃষ্ট হয়। মহব্বত ভালোবাসা বেড়ে যায়। স্বামী তাকে ছাড়া অন্য কাউকে কল্পনাও করতে চায় না। জীবনের সব পরিকল্পনা তাকে ঘিরেই হয়।
স্ত্রীর এমন কিছু বৈশিষ্ট্য হলো :
১. আনুগত্য করা : যে স্ত্রী মহান আল্লাহর হুকুমের আনুগত্যের পাশাপাশি স্বামীরও অনুগত করে সেই স্ত্রী জান্নাতি, স্বামীরও ভীষণ প্রিয়। রাসুলুল্লাহ (সা.) বলেছেন, ‘নারী যখন পাঁচ ওয়াক্ত নামাজ আদায় করবে, রমজান মাসের রোজা রাখবে, নিজের লজ্জাস্থানের হেফাজত করবে, স্বামীর অনুগত হবে, তখন জান্নাতের যেকোনো দরজা দিয়ে ইচ্ছা প্রবেশ করবে।’ (মুসনাদে আহমাদ, হাদিস : ১৬৬১)
২. ভালোবাসা : স্ত্রী স্বামীকে অধিক ভালোবাসলে স্বামীর মনে অন্য নারীর প্রতি আকর্ষণ সৃষ্টি হয় না। তার বিপথগামী হওয়ারও আশঙ্কা থাকে না।
এ ধরনের নারীর জন্যই জান্নাত রয়েছে। রাসুলুল্লাহ (সা.) বলেছেন, ‘তোমাদের জান্নাতি রমণীরা হচ্ছে, যারা স্বামীর প্রতি প্রেমময়ী ও অধিক সন্তান প্রসবকারিণী। স্বামী রাগ করলে সে এসে স্বামীর হাতে হাত রেখে বলে, আপনি আমার প্রতি সন্তুষ্ট না হওয়া পর্যন্ত আমি ঘুমাব না।’ (সহিহুল জামে, হাদিস : ২৬০৪)
৩. আনন্দ দান করা : যে স্ত্রী স্বামীকে আনন্দ দিয়ে মুগ্ধ করে—সেই স্ত্রীকে সর্বোত্তম সম্পদ বলা হয়েছে।
রাসুল (সা.) বলেছেন, ‘আমি কি তোমাকে মানুষের সর্বোত্তম সম্পদ সম্পর্কে অবহিত করব না? তা হলো, নেককার স্ত্রী। সে (স্বামী) তার (স্ত্রীর) দিকে তাকালে স্ত্রী তাকে আনন্দ দেয়। তাকে কোনো নির্দেশ দিলে সে তা মেনে নেয়। সে যখন তার থেকে অনুপস্থিত থাকে, তখন সে তার সতীত্ব ও তার সম্পদের হেফাজত করে।’ (আবু দাউদ, হাদিস : ১৬৬৪)
৪. সান্ত্বনা দান করা : আদর্শ ও গুণবতী স্ত্রীর বৈশিষ্ট্য হলো বিপদে স্বামীকে সান্ত্বনা দেওয়া ও স্বামীর অবস্থা বিবেচনা করে কথা বলা।
আনাস বিন মালিক (রা.) বলেন, আবু তালহা (রা.)-এর এক ছেলে মারা গেল। উম্মু সুলাইম পরিবারের সদস্যদের বললেন, আমি না বলা পর্যন্ত তাকে (আবু তালহাকে) সন্তান মৃত্যুর কথা কেউ বলবে না। আবু তালহা আসলে তার সামনে রাতের খাবার পেশ করলেন। তিনি পানাহার করলেন। এরপর সুসজ্জিত হয়ে নিজেকে স্বামীর কাছে পেশ করলেন। স্বামী আবু তালহা পরিতৃপ্ত হলে তাকে এ বলে সান্ত্বনা দেন যে কোনো সমপ্রদায় যদি কোনো দম্পতির নিকট একটি আমানত রাখে, অতঃপর তারা তাদের আমানত ফেরত নিয়ে নেয়, তাহলে আপনি সেটা কোন দৃষ্টিতে দেখবেন? তাদের নিষেধ করার কোনো অধিকার আপনার আছে কি? আবু তালহা উত্তর দিলেন, না। উম্মে সুলাইম বললেন, আপনার ছেলেকে সেই আমানত গণ্য করুন। তাকে হারানো পুণ্য বিবেচনা করুন। এ ঘটনা অবহিত হয়ে রাসুল (সা.) বলেন, ‘আল্লাহ তাআলা তোমাদের গত রাতের মিলনে বরকত দান করুন।’ এরপর উম্মে সুলাইমের একটি পুত্রসন্তান জন্মগ্রহণ করে। (মুসলিম, হাদিস : ২১৪৪)
৫. কৃতজ্ঞ হওয়া : আদর্শ স্ত্রী আল্লাহ প্রদত্ত নিয়ামতের শুকরিয়া আদায় করে। স্বামীরও শোকর আদায় করে। রাসুল (সা.) বলেছেন, ‘আমাকে জাহান্নাম দেখানো হয়। (আমি দেখি), তার অধিবাসীদের অধিকাংশই নারী। (কারণ) তারা কুফরি করে। জিজ্ঞেস করা হলো, তারা কি আল্লাহর সঙ্গে কুফরি করে? তিনি বলেন, তারা স্বামীর অবাধ্য ও অকৃতজ্ঞ হয়। তুমি যদি দীর্ঘদিন তাদের কারো প্রতি ইহসান করতে থাক, অতঃপর সে তোমার সামান্য অবহেলা দেখতে পেলেই বলে ফেলে, আমি কখনো তোমার নিকট হতে ভালো ব্যবহার পাইনি।’ (বুখারি, হাদিস : ২৯)
৬. কষ্ট না দেওয়া : স্বামীকে যথাযথ সম্মান করা ও তাকে কষ্ট না দেওয়া আদর্শ স্ত্রীর বৈশিষ্ট্য। রাসুল (সা.) বলেছেন, ‘যখন কোনো নারী তার স্বামীকে দুনিয়াতে কষ্ট দেয়, তখন জান্নাতের হুরদের মধ্যে যে তার স্ত্রী হবে সে বলে, (হে অভাগিনী!) তুমি তাকে কষ্ট দিয়ো না। আল্লাহ তোমাকে ধ্বংস করুন। তিনি তোমার কাছে আগন্তুক। অল্প দিনের মধ্যেই তিনি তোমাকে ছেড়ে আমাদের কাছে চলে আসবেন।’ (তিরমিজি, হাদিস : ১১৭৪)
৭. ঘরমুখী : আদর্শ স্ত্রী লজ্জাশীল হবে। বাড়িতে অবস্থান করবে। একান্ত প্রয়োজন ছাড়া বাহিরে বের হবে না। ইরশাদ হয়েছে, ‘তোমরা স্বগৃহে অবস্থান করো, প্রাচীন জাহেলি যুগের নারীদের মতো নিজেদের প্রদর্শন করো না।’ (সুরা আহজাব, আয়াত :৩৩)
নবীজি (সা.) বলেছেন, ‘নারী হচ্ছে গোপন বস্তু। যখন সে বাড়ি থেকে বের হয়, তখন শয়তান তাকে (সৌন্দর্য প্রকাশে) উদ্বুদ্ধ করে।’ (তিরমিজি, হাদিস : ১১৭৩)
৮. অধিকার আদায়ে যত্নবান : আদর্শ স্ত্রী আল্লাহর হক আদায়ের পাশাপাশি স্বামীর হক আদায়েও যত্নবান থাকবে। নবীজি (সা.) বলেছেন, ‘যার হাতে মুহাম্মদের প্রাণ তাঁর কসম করে বলছি, স্ত্রী ততক্ষণ পর্যন্ত আল্লাহর হক আদায় করতে সক্ষম হবে না, যতক্ষণ পর্যন্ত সে তার স্বামীর হক আদায় না করবে।’ (ইবনে মাজাহ, হাদিস : ১৮৫৩)
৯. পর্দা রক্ষা করা : পর্দা ইসলামে ফরজ। নামাজ-রোজা পালন না করলে যেমন আল্লাহর কাছে জবাবদিহি করতে হবে, তেমনি পর্দা পালন না করলেও আল্লাহর কাছে জবাবদিহি করতে হবে। রাসুল (সা.) বলেছেন, ‘নগ্ন পোশাক পরিধানকারী নারী, যারা পুরুষদের নিজেদের প্রতি আকৃষ্ট করবে এবং নিজেরাও পুরুষদের প্রতি আকৃষ্ট হবে। তাদের মাথা বক্র উঁচু কাঁধবিশিষ্ট উটের ন্যায় হবে। তারা জান্নাতে প্রবেশ করতে পারবে না।’ (মুসলিম, হাদিস : ৫৪৭৫) |