ঠিকানা
|
| স্থায়ী ঠিকানা |
হাজীবাড়ি, কাশারীখোলা, ধামতি, |
| বর্তমান ঠিকানা |
এফ৫ ৩য় কলোনী, দারুসসালাম মিরপুর১, ঢাকা। |
শিক্ষাগত যোগ্যতা
|
| কোন মাধ্যমে পড়াশোনা করেছেন? |
কওমি মাদ্রাসা |
| আপনি কি হাফেজ? |
হ্যাঁ |
| দাওরায়ে হাদীস পাসের সন |
২০২৩-২৪ |
| দাওরায়ে হাদীসের নতিজা কি? |
মুমতায |
| আপনি কি তাখাস্সুস পড়েছেন? |
না |
| সর্বোচ্চ শিক্ষাগত যোগ্যতা |
আল জামিয়াতুল ইসলামিয়া দারুল উলুম মাদানী নগর, দাওরায়ে হাদিস মাস্টার্স শেষ করেছি ২০২৩-২৪
হিফজের ফারাগাত, ২০১৩-১৪ তে।
আল জামিয়াতুল ইসলামিয়া দারুল উলুম মাদানীনগর। |
| অন্যান্য শিক্ষাগত যোগ্যতা |
আলহামদুলিল্লাহ জেনারেল নলেজ আছে, |
পারিবারিক তথ্য
|
| পিতার পেশা |
ইমামতি |
| মাতার পেশা |
গৃহিণী |
| বোন কয়জন? |
1 |
| ভাই কয়জন? |
3 |
| ভাই বোনদের পেশা |
দুই ভাই এখনো পড়াশোনা করছে, মেজোজন মাদ্রাসায় নাহুমীর জামাতে পড়ছে। ছোট জন হিফজ বিভাগে পড়ছে।
বোন— গৃহিণী। |
| চাচা মামাদের পেশা |
বড় চাচা ডাক্তার। মেজ চাচা কৃষক। সেজ চাচা আলেম, ছোট আমার বাবা |
| পরিবারের অর্থনৈতিক ও সামাজিক অবস্থা |
আলহামদুলিল্লাহ মোটামুটি সচ্ছল অবস্থায় আছি। |
ব্যক্তিগত তথ্য
|
| আপনার দাঁড়ি আছে কি? |
জ্বী, সুন্নতি দাড়ি রেখেছি |
| পায়ের টাখনুর উপরে কাপড় পরেন? |
জ্বী |
| ঘরের বাহিরে সাধারণত কী ধরণের পোশাক পরেন? |
আলহামদুলিল্লাহ সুন্নতি লিবাসে চলাফেরা করি। |
| প্রতিদিন পাঁচ ওয়াক্ত নামাজ পড়া হয়? |
জ্বী আলহামদুলিল্লাহ |
| নিয়মিত নামায কত সময় যাবত পড়ছেন? |
৭বছর থেকে |
| মাহরাম/নন-মাহরাম মেনে চলেন কি? |
জি আলহামদুলিল্লাহ |
| শুদ্ধভাবে কুরআন তিলওয়াত করতে পারেন? |
জি আলহামদুলিল্লাহ |
| কোন মাঝহাব অনুসরণ করেন? |
হানাফী মাযহাবের অনুসরণে চলি |
| কোনো রাজনৈতিক দর্শন থাকলে লিখুন |
২০১৩ শাপলা চত্বর ট্রাজেডি এবং ২০২৪ জুলাই অভ্যুত্থান। |
| নাটক/সিনেমা/সিরিয়াল/গান এসব দেখেন বা শুনেন? |
না। |
| মানসিক বা শারীরিক কোনো রোগ আছে কি? |
আলহামদুলিল্লাহ সুস্থ আছি |
| দ্বীনের কোন বিশেষ মেহনতে যুক্ত আছেন? |
জি আলহামদুলিল্লাহ |
| আপনি কি কোনো পীরের মুরিদ বা অনুসারী? |
ঢালকানগর এর শায়েখ আব্দুল গাফফার হাফিজাহুল্লাহ। |
| মাজার সম্পর্কে আপনার ধারণা বা বিশ্বাস কি? |
নাই |
| আপনার পছন্দের অন্তত ৩ টি ইসলামী বই এর নাম লিখুন |
সাহাবায়ে কেরামের ঈমান দীপ্ত জীবন, আমার দেখা পৃথিবী, প্যারাডক্সিকাল সাজিদ। |
| আপনার পছন্দের অন্তত ৩ জন আলেমের নাম লিখুন |
এখন হাদিস আল্লামা আব্দুল গাফফার হাফিজাহুল্লাহ, শাইখুল হাদিস আল্লামা মামুনুল হক, মাওলানা হাসান জামিল হাফিঃ। |
| নিজের সম্পর্কে কিছু লিখুন |
আলহামদুলিল্লাহ সর্ব হালাতে পাক পবিত্র থাকার চেষ্টা করি।
পাচ ওয়াক্ত নামাজ জামাতে পড়ি। |
বিয়ে সংক্রান্ত তথ্য
|
| অভিভাবক আপনার বিয়েতে রাজি কি না? |
জ্বী |
| বিয়ে কেন করছেন? বিয়ে সম্পর্কে আপনার ধারণা কি? |
গুনাহ থেকে বাঁচার জন্য,
এবং আল্লাহ রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম হাদিসে বলেছেন। باب التَّرْغِيبُ فِي النِّكَاحِ لِقَوْلِهِ تَعَالَى: {فَانْكِحُوا مَا طَابَ لَكُمْ مِنَ النِّسَاءِ
سَعِيدُ بْنُ أَبِي مَرْيَمَ أَخْبَرَنَا مُحَمَّدُ بْنُ جَعْفَرٍ أَخْبَرَنَا حُمَيْدُ بْنُ أَبِي حُمَيْدٍ الطَّوِيلُ أَنَّه“ سَمِعَ أَنَسَ بْنَ مَالِكٍ يَقُوْلُ جَاءَ ثَلاَثَةُ رَهْطٍ إِلٰى بُيُوْتِ أَزْوَاجِ النَّبِيِّ صلى الله عليه وسلم يَسْأَلُوْنَ عَنْ عِبَادَةِ النَّبِيِّ صلى الله عليه وسلم فَلَمَّا أُخْبِرُوْا كَأَنَّهُمْ تَقَالُّوْهَا فَقَالُوْا وَأَيْنَ نَحْنُ مِنَ النَّبِيِّ صلى الله عليه وسلم قَدْ غُفِرَ لَه“ مَا تَقَدَّمَ مِنْ ذَنْبِه„ وَمَا تَأَخَّرَ قَالَ أَحَدُهُمْ أَمَّا أَنَا فَإِنِّي أُصَلِّي اللَّيْلَ أَبَدًا وَقَالَ آخَرُ أَنَا أَصُوْمُ الدَّهْرَ وَلاَ أُفْطِرُ وَقَالَ آخَرُ أَنَا أَعْتَزِلُ النِّسَاءَ فَلاَ أَتَزَوَّجُ أَبَدًا فَجَاءَ رَسُوْلُ اللهِ صلى الله عليه وسلم إِلَيْهِمْ فَقَالَ أَنْتُمْ الَّذِينَ قُلْتُمْ كَذَا وَكَذَا أَمَا وَاللهِ إِنِّي لأخْشَاكُمْ للهِ÷ وَأَتْقَاكُمْ لَه“ لَكِنِّي أَصُوْمُ وَأُفْطِرُ وَأُصَلِّي وَأَرْقُدُ وَأَتَزَوَّجُ النِّسَاءَ فَمَنْ رَغِبَ عَنْ سُنَّتِي فَلَيْسَ مِنِّي
[1] যে কোন ‘ইবাদাতের ক্ষেত্রে ‘ইবাদাতের সময়, পরিমাণ, স্থান, অবস্থা ইত্যাদির দিকে খেয়াল রাখতে হবে। আবেগ তাড়িত হয়ে ফারযের মধ্যে যেমন কম বেশি করা যাবে না; তেমনি সুন্নাতের ক্ষেত্রেও রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর নির্দেশ বা তার ‘আমলের পরিবর্তন করা যাবে না। নফল ‘ইবাদাতেও কারো সময় থাকলে বা নিজের খেয়াল খুশি মত করা ইসলাম সমর্থিত নয়। ইসলামে সালাত, সওমের পাশাপাশি ঘুমানো, বিয়ে করা, বাণিজ্য করা ইত্যাদিও ‘ইবাদাতের মধ্যে গণ্য যদি তা সাওয়াবের আশায় এবং সঠিক নিয়মানুসারে পালন করা হয়।
কিন্তু যদি কেউ সার্বিক দিক থেকে সমর্থ হওয়া সত্ত্বেও রসূলের সুন্নাতের প্রতি অনীহা ও অবিশ্বাসের কারণে বিয়ে পরিত্যাগ করে, তাহলে সে রসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম -এর তরীকা থেকে বিচ্ছিন্ন হয়ে যাবে।
[2] আল্লাহ তা‘আলা মানুষকে যে প্রকৃতি, বৈশিষ্ট্য ও চাহিদা দিয়ে সৃষ্টি করেছেন সেগুলোকে উপেক্ষা করে আল্লাহর প্রিয়পাত্র হওয়া তো দূরের কথা, মানুষ মানুষের স্তরেই থাকতে পারবে না। মানুষ অতিরিক্ত খাদ্য খেলে বা একেবারেই খাদ্য পরিত্যাগ করলে তার বেঁচে থাকা নিয়েই আশঙ্কা দেখা দিবে। একাধারে সওম পালন করলেও একই অবস্থা দেখা দিবে। তাই আল্লাহর রসূল আমাদেরকে এমন শিক্ষা দিয়েছেন যাতে আমরা মানুষ হিসেবে স্বাভাবিক জীবন যাপন করেও আল্লাহর সন্তুষ্টি অর্জন করতে পারি। জীবনের যে কোন ক্ষেত্রে অস্বাভাবিক পন্থা অবলম্বন করলে দুর্ভোগ ও বিপর্যয় আসবে। খ্রীস্টান পাদ্রীদের অনুসৃত বৈরাগ্যবাদ ও দাম্পত্য জীবনের প্রতি লোক-দেখানো অনীহা তাদের অনেককেই যৌনাচারের ক্ষেত্রে পশুর স্তরে নামিয়ে দিয়েছে।
ইসলামে নারী-পুরুষের মধ্যে সম্পর্ক স্থাপনের একমাত্র বৈধ পন্থা হল বিবাহ। পরিবার গঠন, সংরক্ষণ ও বংশ বিস্তারের জন্যই বিয়ে ছাড়া আর কোন বিধি সম্মত পথ নেই। এর মাধ্যমেই ব্যক্তি ও পারিবারিক জীবন পবিত্র ও কলূষমুক্ত হয়ে নৈতিকতার সর্বোচ্চ শিখরে উন্নীত হতে পারে। এ জন্যই ব্যভিচারে লিপ্ত হওয়ার আশঙ্কা করলে আল্লাহর চিরাচরিত বিধান এবং নাবী -এর সুন্নাত হিসেবে বিয়ে করা ফরয আর এ অবস্থায় অর্থনৈতিক দিক থেকে সমর্থ না হলে সওম পালন করার বিধান দেয়া হয়েছে। আবার শারীরিক দিক থেকে সমর্থ হলে আর ব্যভিচারে লিপ্ত হবার আশঙ্কা না থাকলে বিয়ে করা মুসতাহাব। আর যৌবিক চাহিদা শূন্য হলে বিয়ে করা মুবাহ্। আবার এ অবস্থায় যদি মহিলার পক্ষ থেকে তার বিয়ের উদ্দেশ্যই নষ্ট হওয়ার আশঙ্কা থাকে তাহলে এরূপ স্বামীর শারীরিকভাবে সমর্থ নারীকে বিয়ে করা মাকরূহ।
কিন্তু যদি কেউ সার্বিক দিক থেকে সমর্থ হওয়া সত্ত্বেও রসূলের সুন্নাতের প্রতি অনীহা ও অবিশ্বাসের কারণে বিয়ে পরিত্যাগ করে, তাহলে সে রসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম -এর তরীকা থেকে বিচ্ছিন্ন হয়ে যাবে। |
| বিয়ের পর স্ত্রীর পর্দার ব্যবস্থা রাখতে পারবেন? |
জি সম্পূর্ণ আলহামদুলিল্লাহ |
| বিয়ের পর স্ত্রীকে পড়াশোনা করতে দিতে চান? |
সেটা পরিস্থিতির উপর। এবং সে যদি চায় আমার জায়গা থেকে হ্যা আছে |
| বিয়ের পর স্ত্রীকে চাকরী করতে দিতে চান? |
না |
| বিয়ের পর স্ত্রীকে কোথায় নিয়ে থাকবেন? |
আমি যেখানে থাকবো সে আমার সাথেই থাকবে। |
| বিয়ে উপলক্ষে আপনি বা আপনার পরিবার পাত্রীপক্ষের কাছে যৌতুক বা উপহার বা অর্থ আশা করবেন কি না? |
ইসলাম নারীকে মর্যাদার আসন দিয়েছে। বিয়ের সময় স্ত্রীর কাছ থেকে যৌতুক গ্রহণ করা তো নয়ই বরং স্ত্রীকে মোহর প্রদানের জন্য বাধ্যবাধকতা আরোপ করেছে ইসলাম। কুরআনে হাকিমের সূরা নিসার ৪ নম্বর আয়াতে ইরশাদ করা হয়েছে
وَآتُوا النِّسَاءَ صَدُقَاتِهِنَّ نِحْلَةً ۚ فَإِن طِبْنَ لَكُمْ عَن شَيْءٍ مِّنْهُ نَفْسًا فَكُلُوهُ هَنِيئًا مَّرِيئًا
“আর তোমরা স্ত্রীদেরকে তাদের মোহর দিয়ে দাও খুশী মনে। তারা যদি খুশী হয়ে তা থেকে অংশ ছেড়ে দেয়, তবে তা তোমরা স্বাচ্ছন্দ্যে ভোগ কর।” -সূরা নিসা: আয়াত ৪
ইসলাম শুধু যৌতুক প্রথার বিরোধীই নয় বিয়েশাদির ক্ষেত্রে সব ধরনের অপচয়েরও বিপক্ষে। রসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম ইরশাদ করেছেন, সেই বিয়েই সর্বাধিক বরকতময়, যে বিয়েতে ব্যয় খুব সামান্যই হয়। রসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম নিজে বিয়ে করেছেন সাধারণভাবে, নিজের প্রিয় কন্যা হজরত ফাতেমা (রা.) কে বিয়ে দিয়েছেন একইভাবে। বিয়েতে অপব্যয় পাত্র-পাত্রীর পরিবারের জন্য কষ্টকর পরিণতি ডেকে আনে। সামাজিক সম্মান রক্ষার অজুহাতে অনেকে বিয়েতে মাত্রাতিরিক্ত ব্যয় করে দেউলিয়া হয়ে পড়ে, যা ইসলাম কোনোভাবেই অনুমোদন করে না।
"আর এখানে যৌতুকের কোন প্রশ্নেই উঠে না। |
পেশাগত তথ্য
|
| পেশা সম্পর্কিত তথ্য |
আলহামদুলিল্লাহ ছোটখাটো একটা ব্যবসা-বাণিজ্য করছি।
ব্যবসার আয় দিয়ে ফ্যামিলি এবং আমি আমার সংসার চালিয়ে নিতে পারবো। |
| বিশেষ কিছু যদি জানাতে চান |
পাত্রী মাদ্রাসায় পড়ুয়া হতে হবে।
এবং সম্পূর্ণ মান নেওয়ালি হতে হবে।
সে তার জীবনসঙ্গী কে সর্ব হালতে বুঝতে হবে। |
যেমন জীবনসঙ্গী আশা করেন
|
| সর্বোচ্চ বয়স |
১৬/১৭ |
| গাত্রবর্ণ |
উজ্জ্বল স্যমলা, ফর্সা |
| নূন্যতম উচ্চতা |
৫/১-২ |
| নূন্যতম শিক্ষাগত যোগ্যতা |
আলেমা |
| জেলা |
মুন্সিগঞ্জের অথবা নারায়ণগঞ্জ এর আসেপাশে তবে মুন্সিগঞ্জের হলে খুব ভালো। |
| বৈবাহিক অবস্থা |
অবিবাহিতা |
| পেশা |
ছাত্রী বা গৃহীণী অথবা ম্যডাম |
| অর্থনৈতিক অবস্থা |
মোটামুটি সচ্ছল |
| পারিবারিক অবস্থা |
দ্বীনদার ফ্যমিলি |
| জীবনসঙ্গীর যে বৈশিষ্ট্য বা গুণাবলী আশা করেন |
রোমান্টিকতা, স্বামীকে সর্ব হালাতে বোঝা,
গোছালো। |