ঠিকানা
|
| স্থায়ী ঠিকানা |
মুগদা |
| বর্তমান ঠিকানা |
মুগদা |
শিক্ষাগত যোগ্যতা
|
| কোন মাধ্যমে পড়াশোনা করেছেন? |
জেনারেল |
| মাধ্যমিক (SSC) / সমমান পাশ করেছেন? |
হ্যাঁ |
| মাধ্যমিক (SSC) / সমমান বিভাগ |
বিজ্ঞান বিভাগ |
| মাধ্যমিক (SSC) / সমমান পাসের সন |
2014 |
| উচ্চ মাধ্যমিক (HSC) / সমমান পাশ করেছেন? |
হ্যাঁ |
| উচ্চ মাধ্যমিক (HSC) / সমমানের বিভাগ |
বিজ্ঞান বিভাগ |
| উচ্চ মাধ্যমিক (HSC) / সমমান পাসের সন |
2016 |
| স্নাতক / স্নাতক (সম্মান) / সমমান শিক্ষাগত যোগ্যতা |
MBBS 5th year |
| শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের নাম |
শহীদ মনসুর আলী মেডিকেল কলেজ ও হাসপাতাল |
| অন্যান্য শিক্ষাগত যোগ্যতা |
এসএসসি:
গোল্ডেন জিপিএ ৫ , মতিঝিল আইডিয়াল স্কুল অ্যান্ড কলেজ, ঢাকা।
এইচএসসি:
জিপিএ ৫, ঢাকা কলেজ, ঢাকা। |
পারিবারিক তথ্য
|
| পিতার পেশা |
অবসরপ্রাপ্ত ডিপ্লোমা সিভিল ইঞ্জিনিয়ার |
| মাতার পেশা |
গৃহিণী |
| বোন কয়জন? |
1 |
| ভাই কয়জন? |
ভাই নেই |
| ভাই বোনদের পেশা |
বোন:
শিক্ষাগত যোগ্যতা:
BSc completed in EEE from Ahsanullah University of Science & Technology.
বিবাহিতা,
পেশা: Senior Officer, IFIC Bank, Motijheel.
বোনের স্বামীর পেশা: Assistant Vice President, Eastern Bank Limited. |
| পরিবারের অর্থনৈতিক ও সামাজিক অবস্থা |
মধ্যবিত্ত,
ঢাকায় পৌনে ২ কাটা জায়গার উপর একটি ৬.৫ তলা বিল্ডিংয়ের মধ্যে ছোট ছোট ৫টি ফ্ল্যাট আছে ছেলের বাবার, এছাড়া আর কোনো সহায় সম্পত্তি নেই।
সামাজিকভাবে স্বচ্ছল এবং সম্ভ্রান্ত আলহামদুলিল্লাহ। |
ব্যক্তিগত তথ্য
|
| আপনার দাঁড়ি আছে কি? |
জ্বী, সুন্নতি দাড়ি রেখেছি |
| পায়ের টাখনুর উপরে কাপড় পরেন? |
জি |
| ঘরের বাহিরে সাধারণত কী ধরণের পোশাক পরেন? |
পাঞ্জাবি পায়জামা ট্রাউজার প্যান্ট শার্ট পোলো শার্ট |
| প্রতিদিন পাঁচ ওয়াক্ত নামাজ পড়া হয়? |
জি চেষ্টা করি |
| নিয়মিত নামায কত সময় যাবত পড়ছেন? |
জি আলহামদুলিল্লাহ চেষ্টা করি ৫ বছর ধরে তবে মাঝে মাঝে কাজা হয়ে যায়, এটাই সত্য। |
| মাহরাম/নন-মাহরাম মেনে চলেন কি? |
জি চেষ্টা করি |
| শুদ্ধভাবে কুরআন তিলওয়াত করতে পারেন? |
জি আলহামদুলিল্লাহ |
| কোন মাঝহাব অনুসরণ করেন? |
আহলুল আছার, আহলুল হাদিস, সালাফি |
| কোনো রাজনৈতিক দর্শন থাকলে লিখুন |
নেই |
| নাটক/সিনেমা/সিরিয়াল/গান এসব দেখেন বা শুনেন? |
না |
| মানসিক বা শারীরিক কোনো রোগ আছে কি? |
না |
| দ্বীনের কোন বিশেষ মেহনতে যুক্ত আছেন? |
সকল ধরনের বিদআতি কর্মকাণ্ড থেকে দূরে থেকে মানুষকে ক্বুর'আন সুন্নাহর আলোকে সালাফদের অনুসরণে উদ্বুদ্ধ করার চেষ্টা করি যদিও আমি খুব কম মানুষের সাথেই মিশতে পারি। |
| আপনি কি কোনো পীরের মুরিদ বা অনুসারী? |
না |
| মাজার সম্পর্কে আপনার ধারণা বা বিশ্বাস কি? |
মাজার তৈরি করাই তো শার'ঈয়াহ পরিপন্থী। মাজারের কাছে কিছু চাওয়া, মাথা নত করা শির্ক। |
| আপনার পছন্দের অন্তত ৩ টি ইসলামী বই এর নাম লিখুন |
১. লুম'আতুল ইতিক্বাদ - শাইখ মুহাম্মাদ ইবন সলেহ আল উসাইমীন রাহিমাহুল্লহ, ২. মানহাজ - শাইখ সলেহ আল ফাউজান হাফিজাহুল্লহ, ৩. এটা সালাফদের মানহাজ নয় - শাইখ ডক্টর মুহাম্মাদ ইবন উমার ইবন সালিম আল-বাযমূল হাফিজাহুল্লহ। |
| আপনার পছন্দের অন্তত ৩ জন আলেমের নাম লিখুন |
১৪০০ হিজরি সালের শুরু থেকে- আলেম:- ১. মুহাম্মাদ নাসির আদ-দ্বীন আল আলবানী রাহিমাহুল্লাহ, ২. আব্দ আল আজিজ ইবন বায রাহিমাহুল্লাহ, ৩. মুহাম্মাদ ইবন সলেহ আল উসাইমীন রাহিমাহুল্লাহ, ৪. মুক্ববিল ইবন হাদী আল ওয়াদী রাহিমাহুল্লাহ, ৫. সলেহ আল লুহাইদান রাহিমাহুল্লাহ, ৬. রাবি ইবন হাদী আল মাদখালি হাফিজাহুল্লাহ, ৭. সলেহ ইবন ফাওজান আল ফাওজান হাফিজাহুল্লাহ। দাঈ:- ৮. আবু খাদিজাহ আব্দ আল ওয়াহিদ হাফিজাহুল্লাহ, ৯. শামসি হাফিজাহুল্লাহ, ১০. মতিউর রহমান মাদানী হাফিজাহুল্লাহ সহ প্রমুখ। |
| নিজের সম্পর্কে কিছু লিখুন |
* পরিষ্কার পরিচ্ছন্ন থাকতে পছন্দ করি। সকল রকমের নেশাজাত তথা বিষাক্ত পদার্থ থেকে আল্লাহর দেওয়া নিয়ামত এই শরীরকে আলহামদুলিল্লাহ সম্পূর্ণরূপে পবিত্র রাখতে আমাকে আল্লাহ সক্ষম রেখেছেন সারাজীবন।
* পশুপাখির প্রতি আবেগপ্রবণ। ছোটবেলা থেকে ঘুঘু, খরগোশ, বিড়াল, মুরগিছানা পালতাম। প্রত্যেকবার কুরবানীর পশুর ভরণপোষণ নিজে করি।
* আকাশ দেখতে অনেক ভালোবাসি। ছোটবেলা থেকেই অবসর সময়ে ছাদে শুয়ে মেঘ আর সূর্যের আলোছায়ার খেলা দেখতাম। কালো মেঘের ঝড়োহাওয়া আর ভারী বর্ষণ খুবই প্রিয় আমার।
* রাতের আকাশের অপরিসীম সৌন্দর্য আমাকে আল্লাহর প্রতি অগাধ বিশ্বাসী হিসেবে তৈরি করতে গুরুত্বপূর্ণ অবদান রেখেছিল। তাই স্পেস সাইন্স, কসমোলজি, এস্ট্রোফিজিক্স এসব বিষয়ের উপর আমার অনেক আগ্রহ।
* বিশুদ্ধ বাতাসে শ্বাস নেওয়ার সর্বোত্তম উপায় হচ্ছে লঞ্চভ্রমণ। তাই লঞ্চভ্রমণ অনেক পছন্দের, যদিও জীবনে মাত্র ২ বার এই অভিজ্ঞতা অর্জন করার সুযোগ হয়েছে। তাছাড়া বাইক রাইডিং করি সতর্কতার সাথে, সেটাও আমার পছন্দ।
* আমি খুব বেশি প্রয়োজন না পরলে চুপ থাকতে পছন্দ করি। অযৌক্তিক তর্ক-বিতর্ক খুবই অপছন্দের যদিও এসব বিষয়ে আলহামদুলিল্লাহ আল্লাহ আমাকে দলীল ভিত্তিক আলোচনা সুন্দরভাবে করার তাওফীক দিয়েছেন। আমার ছোট্ট এই জ্ঞানের পরিধি দিয়ে ইল্মী আলোচনা করে আমার কাছে রক্ষিত ইল্ম প্রচার করি হিকমাহ এবং সম্মানের সাথে এবং অপরের কাছ থেকেও ইল্ম নিই যদি তার কথা ক্বুর'আন-সুন্নাহ নির্ভরশীল হয় এবং সম্মানের সহিত আচরণ করে। তবে যারাই দলীল ভিত্তিক কথা না বলে গোঁড়ামি দেখায়, তাদেরকে খুবই অপছন্দ করি তবে ঘৃণা করি না, তাদের হিদায়াতের জন্য আল্লাহর কাছে দু'আ করি এবং সাথে সাথে আমার নিজের হিদায়াতের জন্যও দু'আ করি। দুনিয়াবি কোনো বিষয় নিয়েও যদি কেউ তার মূর্খ বিশ্বাস নিয়ে গোঁড়ামি করে, কয়েকবার সম্মানের সহিত নসীহাহ করার পরেও যদি সে অসুলভ আচরণ করে, তাহলে আর ছাড় দিই না, এসব মানুষকে আমার ভালোবাসা থেকে ততক্ষণ বঞ্চিত রাখি যতক্ষণ না সে সঠিক পথ এবং চিন্তাধারায় ফিরে না আসে।
* আমি বিশ্বাস করি যে, প্রত্যেক মানুষের কিছু দায়িত্ব ও কর্তব্য আছে এই দুনিয়ায়, যেমন: ছেলেদের ক্ষেত্রে, হালাল উপার্জনের পিছনে শ্রম ব্যয়, আল্লাহর উপর তাওয়াক্কুল রেখে পরিবারের সদস্যদের ভরণপোষণের দায়িত্ব নেওয়া, পারিবারিক যেকোনো সমস্যাদি অত্যন্ত বুদ্ধিমত্তা এবং প্রজ্ঞার সাথে সমাধান করা ইত্যাদি। তদ্রূপ মেয়েদের ক্ষেত্রেও, প্রকৃত রব্বাতুল বাইত হওয়ার যোগ্যতা থাকা। একজন মানুষের সকল উপার্জন, দুনিয়াবি হালাল চিন্তাভাবনা, পরিকল্পনা সকল কিছু তার এই ছোট্ট ঘর ও এর সদস্যদের কেন্দ্র করে, সেই মানুষটি যখন এই মহা গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্বের অর্ধভাগ তার অর্ধাঙ্গিনীর উপর প্রেরণ করে, তখন তার অর্ধাঙ্গিনীর পক্ষ থেকে যদি সমপরিমাণ অংশগ্রহণ, অনুপ্রেরণা, উৎসাহ না পায়, তখন সেই পরিবার ব্যাবস্থাপনা টা সাথে সাথে ধ্বসে পড়ে। আল্লাহ আমাকে এসব থেকে সাহায্য করুক, আমীন। তাই যারা দ্বীনদারিতা বলতে সারা দিনরাত শুধু আল্লাহর ইবাদত, ইসলামিক বই পড়া, ইসলামিক লেকচার শুনাকেই বুঝেন, তাদের উচিত রাসূলুল্লাহ ﷺ, উম্মুল মু'মিনীন, সাহাবা, মহিলা সাহাবাদের জীবনী পড়া। তাহলে ইন শা আল্লাহুল আযীয, প্রকৃত দ্বীনদারিতা যে, একত্রে ইবাদত এবং দুনিয়াবি হালাল দায়িত্বগুলো নিভানো কেই নির্দেশ করে সেটা বুঝতে বাকি থাকবে না। তাই যেসব দ্বীনদাররা ননীর পুতুলের মতো জীবনযাপন করে, দুনিয়াবি দায়িত্ব থেকে উদাসীন, আল্লাহর উপর তাওয়াক্কুল রাখার প্রকৃত অর্থ বুঝে না, ইবাদত শতভাগ ঠিক রেখে দুনিয়ার হালাল দায়িত্ব গুলো পালন করতে পারে না, আমার কাছে তারা পরিত্যাজ্য। |
বিয়ে সংক্রান্ত তথ্য
|
| অভিভাবক আপনার বিয়েতে রাজি কি না? |
জি |
| বিয়ে কেন করছেন? বিয়ে সম্পর্কে আপনার ধারণা কি? |
আল্লাহর নির্ধারিত অর্ধাঙ্গিনীর আগমনের মাধ্যমে দ্বীন পালনে পূর্ণতা পাবো এবং ইবাদতের আসল অনুভূতি তখনই উপলব্ধি করা যায় যখন উভয়ে মিলে একজন অপরজনকে সম্পূর্ণরূপে সহযোগিতার মাধ্যমে সিরাতুল মুস্তাকিম এর উপর অটল থেকে জান্নাতের সুঘ্রাণের পানে অগ্রসর হওয়া যায়।
তাছাড়া প্রকৃত গুণবতী রব্বাতুল বাইত যেহেতু আমার জীবনের অর্ধেক দায়িত্ব নেওয়ার যোগ্য হয়েই বিবাহ বন্ধনে আবদ্ধ হওয়ার জন্য প্রস্তুত, সেক্ষেত্রে জীবনের অর্ধেক সেই দায়িত্বগুলো তার উপর অর্পণ করে সেসব নিয়ে যে আমাকে ভাবতে হচ্ছে না, এর চেয়ে বড় স্বস্তি আর কিইবা থাকতে পারে আলহামদুলিল্লাহ! তখন মনোযোগ দিয়ে ঘরের বাহিরের দায়িত্বের কাজগুলো করতে পারার অনুপ্রেরণা পাওয়া যায়, জীবন তুলনামূলক সহজ হয়ে যায়। |
| বিয়ের পর স্ত্রীর পর্দার ব্যবস্থা রাখতে পারবেন? |
জি |
| বিয়ের পর স্ত্রীকে পড়াশোনা করতে দিতে চান? |
না |
| বিয়ের পর স্ত্রীকে চাকরী করতে দিতে চান? |
না |
| বিয়ের পর স্ত্রীকে কোথায় নিয়ে থাকবেন? |
বাবা-মা এর সাথে একত্রেই থাকার ইচ্ছা প্রবল, তবে পরিস্থিতি বিবেচনায় ছেলের একার সিদ্ধান্তে ও প্রয়োজনে আলাদা বাসা নিয়েও থাকতে হতে পারে পরবর্তীতে চাকরির স্থানের সুবাদে। |
| বিয়ে উপলক্ষে আপনি বা আপনার পরিবার পাত্রীপক্ষের কাছে যৌতুক বা উপহার বা অর্থ আশা করবেন কি না? |
না |
পেশাগত তথ্য
|
| পেশা সম্পর্কিত তথ্য |
বেসরকারি মেডিকেল কলেজের শেষ বর্ষের শিক্ষার্থী |
| বিশেষ কিছু যদি জানাতে চান |
পাত্রের পরিবার এবং পাত্রীর পরিবার সর্বপ্রথম নিজেদের মধ্যে অভিভাবকের ফোন নাম্বারে কথাবার্তা বলে পরবর্তীতে পাত্র-পাত্রী পর্যন্ত আগানো হলেই উত্তম। পাত্রের অভিভাবক (বাবা) ই-মেইলে অভ্যস্ত না, সরাসরি পাত্রের বাবার ফোন নাম্বারটিতে কল দিয়ে কথা বলার বিনীত অনুরোধ রাখা হলো আর কথার সাথে সাথে পাত্রীর বায়োডাটা প্রদান করতে হলে পাত্রের বাবাকে কষ্ট করে জিজ্ঞেস করতে পারেন যে, "বায়োডাটাতে পাত্রের বাবা এবং বড়বোন উভয়ের নাম্বারই দেওয়া ছিল, কোন নাম্বারটিতে পাঠালে আপনার জন্য তখন সুবিধা হবে?" এটা জিজ্ঞেস করলে পাত্রের বাবার জন্য একটু সহজ হবে, বড়বোন তখন বাসায় পাত্রের বাবার কাছে থাকলে সেখান থেকে দেখা তার জন্য সহজ হলে বড়বোনের নাম্বারের হোআটসএপে দিতে বলবে, আর নাহয় নিজের নাম্বারের হোআটসএপেই দিতে বলবে। |
যেমন জীবনসঙ্গী আশা করেন
|
| সর্বোচ্চ বয়স |
১৬-২২ |
| গাত্রবর্ণ |
ফর্সা, উজ্জ্বল শ্যামলা |
| নূন্যতম উচ্চতা |
৫'০"-৫'২" |
| নূন্যতম শিক্ষাগত যোগ্যতা |
এসএসসি বা সমমান |
| জেলা |
ঢাকা জেলা অগ্রাধিকারযোগ্য, বেশি দূরবর্তী জেলা বাদে |
| বৈবাহিক অবস্থা |
অবিবাহিত |
| পেশা |
গুণবতী রব্বাতুল বাইত |
| অর্থনৈতিক অবস্থা |
মধ্যবিত্ত |
| পারিবারিক অবস্থা |
সামাজিকভাবে সম্ভ্রান্ত |
| জীবনসঙ্গীর যে বৈশিষ্ট্য বা গুণাবলী আশা করেন |
পাত্র মনে করে যে, নতুন জীবন শুরু করার প্রত্যাশী প্রত্যেক নারীর ক্বলবে নিম্নলিখিত বৈশিষ্ট্যগুলোর সমন্বয় থাকা অথবা তা অর্জন করার দৃঢ় সংকল্প থাকা অতীব জরুরি। উল্লেখ্য যে, এতগুলো পয়েন্ট দেখে কেউ পাত্রকে উচ্চাভিলাষী, অহংকারী ভেবে বসলে অবশ্যই ভুল করবেন, সে নিম্নে একজন আদর্শ দ্বীনদার নারীর কতিপয় গুরুত্বপূর্ণ দিক সম্পর্কে অবহিত করেছে মাত্র। যেসব মুসলিমাহ বিয়ের জন্য প্রস্তুতি নিচ্ছেন, তাদের উচিত এসব দিকগুলোকে ধীরে ধীরে নিজের অ্যাসেট হিসেবে অর্জন করার মাধ্যমে নিজেকে স্বয়ংসম্পূর্ণ করা যাতে নতুন জীবনের সকল প্রতিকূলতা কাটিয়ে উঠতে সহজ হয়। এখানে ভয়ের কিছু নেই, পাত্র অত্যন্ত স্বাচ্ছন্দ্যপূর্ণ এবং বন্ধুসুলভ, পাত্রীর সদিচ্ছা আর প্রবল চেষ্টা আছে কিনা সেটাই ধর্তব্য।
*১. আক্বীদাগত ও মানহাজগত পরিশুদ্ধি থাকা।
*২. দ্বীনের ব্যাপারে, ঈমান সর্বদা বাড়ানোর ব্যাপারে তৃষ্ণার্ত থাকা, এক্ষেত্রে মেহনতি হওয়া।
*৩. ক্বুরআন তিলাওয়াত এবং তাফসীর নিয়ে পড়াশোনাতে আগ্রহী থাকা।
*৪. সালাফদের জীবনী সম্পর্কে এবং ইসলামের সম্পূর্ণ ইতিহাস সম্পর্কে জ্ঞান আহরণে অতি উৎসাহী এবং সেই জ্ঞানের নূর সন্তানাদির মধ্যে জন্মলগ্ন থেকেই সুকৌশলে সহজভাবে প্রদর্শন করে তাদেরকে দ্বীন পালন, ভবিষ্যতে প্রকৃত আলেম হিসেবে তাদের গড়ে উঠায় উৎসাহিত করতে সদা তৎপর থাকা।
*৫. অন্তর শীতলকারিণী হওয়া (সেটা তার কোমলমতি আখলাক, কণ্ঠ, দৃষ্টি, অবয়ব - যেকোনো টা দিয়েই হতে পারে)।
*৬. পারিবারিকভাবে সহজ দ্বীনী জ্ঞান অর্জন ও গঠনমূলক দৈনন্দিন ছোটবড় দ্বীনী আলােচনায় উৎসাহীগণ অগ্রাধিকারযোগ্য।
*৭. দ্বীনের প্রতিটি মৌলিক বিধিবিধান পালনে প্রচণ্ড উদ্যোগী এবং স্বামীকে সর্বদা দ্বীন পালনে অনুপ্রেরণা দানকারী।
*৮. স্বামীর প্রতিদ্বন্দ্বী নয় বরং বিশ্বস্ত বন্ধু (তবে যথাযথ সম্মান বজায়পূর্বক) ও সহযােগী হিসেবে সুখী জীবনযাপনে আগ্রহী।
*৯. সুন্দর আচরণ ও কোমল চরিত্রের অধিকারী।
*১০. স্বামীর ইচ্ছা-অনিচ্ছাকে মূল্যায়ন করা এবং স্বামী ভুল করলে তা বিনয় এবং হিক্বমাহ এর সাথে সংশােধন করে দিবে এমন ধৈর্য্যশীল নারী।
*১১. স্বামীর প্রতি, স্বামীর পরিবারের সদস্যদের প্রতি শ্রদ্ধাশীল এবং বিনয়ী।
*১২. যেকোনাে সিদ্ধান্ত গ্রহণের ক্ষেত্রে একমাত্র আল্লাহর সন্তুষ্টি লাভের কথা চিন্তা করতে হবে এবং জীবনের সকল ক্ষেত্রে রাসূলুল্লাহ ﷺ এর সুন্নাহর অনুসারী হতে হবে। সকল ধরনের ভালো এবং খারাপ সময়ে আল্লাহর উপর সম্পূর্ণ তাওয়াক্কুল রাখতে হবে, কোনোভাবেই তাঁর রহমত থেকে নিরাশ হওয়া যাবে না।
*১৩. উনাকে একইসাথে যেমন একজন দায়িত্ববান, মিষ্টভাষী, প্রেমময়ী স্ত্রী হতে হবে, সেইসাথে তাকে একজন ম্যাচিউর্ড, প্রজ্ঞাসম্পন্ন, দায়িত্ববান, কোমল এবং সন্তান শাসন করার মতো বুদ্ধিমতী মা এর গুণাবলী সম্পন্ন হতে হবে অথবা এমন হওয়ার তীব্র আগ্রহ থাকতে হবে।
*১৪. যারা তাদের পছন্দের শাইখ বা আলেমদের লিস্টে আক্বীদাহগত এবং মানহাজগত বিভ্রান্তিতে আছে এমন বক্তা বা দাঈ দের নাম লিখে রেখেছেন, তাদের সাথে আমি অনেক সম্মানের সাথে ইল্মি আলোচনা করতে আগ্রহী। এই আলোচনা থেকে আমরা উভয়ে আমাদের নিজেদের ভুলগুলো শুধরে নেওয়ার মনমানসিকতা রাখবো ইন শা আল্লাহ। |