বায়োডাটার নম্বর:24184

বায়োডাটার ধরন পাত্রের বায়োডাটা
বৈবাহিক অবস্থা বিবাহিত
জন্ম তারিখ 12-May-1996
বয়স Current age is 29 Years 11 Montns 11 Days
স্থায়ী ঠিকানা (জেলা) জামালপুর
স্থায়ী ঠিকানা (উপজেলা) জামালপুর সদর
বর্তমান ঠিকানা (জেলা) জামালপুর
বর্তমান ঠিকানা (উপজেলা) জামালপুর সদর
গাত্রবর্ণ ফর্সা
উচ্চতা ৫'৬''
ওজন ৬০ কেজি
রক্তের গ্রুপ O+
পেশা Accounts manager
প্রস্তাব পাঠান প্রস্তাব পাঠানোর জন্য প্যাকেজ কিনুন এই বায়োডাটার সাথে যোগাযোগ করুন

ঠিকানা

স্থায়ী ঠিকানা জামালপুর সদর, জামালপুর
বর্তমান ঠিকানা জামালপুর

শিক্ষাগত যোগ্যতা

কোন মাধ্যমে পড়াশোনা করেছেন? জেনারেল
মাধ্যমিক (SSC) / সমমান পাশ করেছেন? হ্যাঁ
মাধ্যমিক (SSC) / সমমান বিভাগ বিজ্ঞান বিভাগ
মাধ্যমিক (SSC) / সমমান পাসের সন 2012
অন্যান্য শিক্ষাগত যোগ্যতা Textile ইঞ্জিনিয়ারিং

পারিবারিক তথ্য

পিতার পেশা Business
মাতার পেশা Housewife
বোন কয়জন? 1
ভাই কয়জন? ভাই নেই
পরিবারের অর্থনৈতিক ও সামাজিক অবস্থা Alhamdulillah

ব্যক্তিগত তথ্য

আপনার দাঁড়ি আছে কি? জ্বী, সুন্নতি দাড়ি রেখেছি
পায়ের টাখনুর উপরে কাপড় পরেন? হ্যাঁ
ঘরের বাহিরে সাধারণত কী ধরণের পোশাক পরেন? সাদা পাঞ্জাবী সাদা টুপি
প্রতিদিন পাঁচ ওয়াক্ত নামাজ পড়া হয়? জি
নিয়মিত নামায কত সময় যাবত পড়ছেন? ১০ বছর
মাহরাম/নন-মাহরাম মেনে চলেন কি? হ্যাঁ
শুদ্ধভাবে কুরআন তিলওয়াত করতে পারেন? না
কোন মাঝহাব অনুসরণ করেন? হানাফি
কোনো রাজনৈতিক দর্শন থাকলে লিখুন নেই
নাটক/সিনেমা/সিরিয়াল/গান এসব দেখেন বা শুনেন? না
মানসিক বা শারীরিক কোনো রোগ আছে কি? না
দ্বীনের কোন বিশেষ মেহনতে যুক্ত আছেন? তাবলীগ
আপনি কি কোনো পীরের মুরিদ বা অনুসারী? না
মাজার সম্পর্কে আপনার ধারণা বা বিশ্বাস কি? না
আপনার পছন্দের অন্তত ৩ টি ইসলামী বই এর নাম লিখুন ফাজায়েল আমল, ফাজায়েল সাদাকাত, সময়েল তির্মিজি
আপনার পছন্দের অন্তত ৩ জন আলেমের নাম লিখুন হাসান জামিল, আনিসুর রহমান আশরাফি, আরিফ বিন হাবিব
নিজের সম্পর্কে কিছু লিখুন তেমন কিছু লিখার নেই!আলহামদুলিল্লাহ তবে আমার শখের মধ্যে অনেক কিছুই আছে, তবে সবচেয়ে বড় শখ হলো কুরআনের গভীর অর্থ ও তাফসীর শেখা, কারণ কুরআন আল্লাহর সর্বোত্তম ভাষায় নাযিল হওয়া এক অমূল্য গ্রন্থ, যা জীবনের প্রতিটি দিককে নির্দেশনা দেয়। আল্লাহর নাযিল করা আইন ও নির্দেশনার বাইরে আমাদের জীবন পরিচালিত হওয়া সম্ভব নয়। তাই অর্থ সহ কুরআন নামের কোর্স করছি অনলাইনে একটি মাদ্রাসায়(IOM)আলহামদুলিল্লাহ। সালাত এবং নফল ইবাদত আমার জীবনযাত্রার অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ অংশ। সালাত কেবল আল্লাহর সাথে সম্পর্ক স্থাপনের মাধ্যম নয়, এটি মানুষের আত্মিক উন্নতির জন্য একটি অপরিহার্য উপায়। নফল ইবাদত, যিকির-আযকার ও দোয়ার মাধ্যমে আল্লাহর নৈকট্য লাভের চেষ্টা করি। রাসূলুল্লাহ (সা.) বলেছেন, "তোমরা আল্লাহর যিকিরে মশগুল হও, যাতে তোমরা সফলকাম হতে পার।" (সহীহ বুখারি) আমি সাধারণ ও পরিমিত জীবনযাপন পছন্দ করি। ইসলামে বিলাসিতা ও অপচয়কে নিরুৎসাহিত করা হয়েছে। আল্লাহ তাআলা বলেন, "তোমরা অপচয় করো না। নিশ্চয়ই তিনি অপচয়কারীদের পছন্দ করেন না।" (সূরা আল-আনআম, ৬:১৪১) শহুরে জীবনের চেয়ে গ্রাম্য জীবনে বেশি স্বাচ্ছন্দ্য বোধ করি, তবে শহরের জীবনও খারাপ নয়। আমার স্বপ্ন একটি ইসলামী পরিবার গড়ে তোলার, যেখানে আমার সন্তানরা (যদি আল্লাহ দান করেন) ধার্মিক ও দ্বীনী শিক্ষায় সমৃদ্ধ হবে ইন শা আল্লাহ। এছাড়াও মানুষকে সাহায্য করতে ভালবাসি শুধুমাত্র আল্লাহর সন্তুষ্টি এবং উত্তম প্রতিদানের আশায়, দান সাদাকা করতে পছন্দ করি। সামর্থ্য থাকলে, সুযোগ এলে বা পেলে সেটা মিস করিনা বা করতে চাইনা। বিশেষ দিনগুলোতে আরও বেশি করে করি আলহামদুলিল্লাহ। ধূমপান, মদ্যপান এবং যেকোনো ধরণের নেশা আমার অপছন্দ,রাজনীতিতে আমার কোন আগ্রহ নেই, অবশ্যই ইসলামী রাজনীতি, খেলাফত কে সমর্থন করি। আমার ইচ্ছা আল্লাহর দেওয়া রিজিক দিয়ে আমার মা-বাবাকে আমার সাথে রেখে আমৃত্যু তাদের সেবা যত্ন করা ইন শা আল্লাহ, আল্লাহ যেন আমাকে এই সুযোগ থেকে বঞ্চিত না করেন। আর হ্যাঁ , আমি আমার স্ত্রীকে তার যথাযথ অধিকার প্রদানে সর্বোচ্চ চেষ্টা করব ইন শা আল্লাহ , এই বিষয়ে কোন চিন্তা নেই। এছাড়াও অবসর সময়ে ইসলামী বক্তৃতা, ইসলামী বিভিন্ন ইতিহাস ও নাশিদ শুনতে পছন্দ করি এবং ইসলামিক বই পড়তে ভাল লাগে।বন্ধুদের সাথে ইসলামি কথা বার্তা বলতে পছন্দ করি। নবীর সুন্নাহ হিসেবে সুগন্ধী ব্যবহার করতে খুব বেশি পছন্দ করি আলহামদুলিল্লাহ। অপছন্দের তালিকায় রাগ বা বদমেজাজ টাকে সবার উপরে রাখি, গীবত করা অবশ্যই অপছন্দের। আমি নরম স্বভাবের মানুষ, কারো প্রতি রাগ , হিংসা বা জুলুম করিনা। সব খানে সব পরিস্থিতি মানিয়ে নিতে পারি আলহামদুলিল্লাহ। নিজের ইচ্ছা বা পছন্দের থেকে অন্যদের পছন্দ বা ইচ্ছাকে আগে প্রাধান্য দেই, অল্পতেই সন্তষ্ট হয়ে যাই, মন খারাপ হলে আল্লাহর কাছে দোয়া করি। প্রতিটি মুহুর্তে আল্লাহ সুবহানাহু ওয়া তা'আলার সাথেই কথা বলি আল্লাহু আকবার। খুবই সাধারন ভাবে চলাফেরা করি,বিলাসিতা নেই বললেই চলে। প্রয়োজনের বেশি কিছুই করিনা বা করতে মন চায়না। সবসময় মুখে হাসি থাকে যা আমার নবীজির ছিল। গোছানো পরিপাটি পরিষ্কার পরিচ্ছন্ন থাকতে ভাল লাগে। আমি যখন থেকে বুঝতে শিখেছি তখন থেকেই আমার স্বপ্ন একটাই বাবা মা কে যেভাবেই হোক শেষ জীবন পর্যন্ত সর্বোচ্চ সুখ দেয়া। এখনো এটাই আমার টার্গেট। অন্যদের মত ডাক্তার অথবা ইঞ্জিনিয়ার হওয়ার কোন সংকল্প কখনো করিনি, স্বপ্ন আছে স্ব পরিবারে মক্কা মদিনা যাওয়া, আল্লাহর কাছে খুব করে চাই, ইন শা আল্লাহ একদিন পুরন হবে। এছাড়াও দ্বীনের জন্য কাজ করা এবং অনেক অনেক কাজ করার নিয়ত করেছি আল্লাহ চাইলে সেগুলোও পুরন হবে।সর্বপরি শেষ জীবন পর্যন্ত আল্লাহর পথে কাজ করে যেতে চাই জান্নাত লাভের আশায় ইন শা আল্লাহ।আমার দ্বীনের জ্ঞান খুবই সামান্য আলহামদুলিল্লাহ। আর এর জন্যই আল্লাহর কাছে এমন একজন মানুষ চাই যে আমাকে সবসময় দ্বীনের জ্ঞান চর্চায় সাহায্য করবেন এবং সর্বাবস্থায় আল্লাহর উপর ভরসা করবেন। যত কম খরচে পারা যায় এবং সুন্নাহ শরীয়াহ অনুযায়ী বিবাহ সম্পন্ন করতে চাই। সুন্নাহর বাইরে কোনো কাজ বিয়েতে হবেনা ইন শা আল্লাহ। রাসূলুল্লাহ (সা.) বলেছেন, "সর্বোত্তম বিবাহ হলো যে বিবাহে সবচেয়ে কম ব্যয় হয়।" (সুনান ইবনে মাজাহ) অর্থাৎ যে বিয়েতে যত খরচ কম সেই বিয়েতে ততই বরকত বেশি, যেটা থেকে আমি কোনোভাবেই বঞ্ছিত হতে চাইনা। তাই বিয়েতে কোনো অনুষ্ঠান না করার জন্য আমার আহলিয়াকেও বলছি। যদি সামাজিকতাকে প্রাধান্য দিতে চান তাহলে আমি সেই মানুষ নই। আল্লাহুম্মাগফিরলী ইনশাআল্লাহ, আমি বিয়ের সময়ই সামর্থ অনুযায়ী মোহরানা পরিশোধ করতে চাই।

বিয়ে সংক্রান্ত তথ্য

বিবাহিত অবস্থায় আবার কেন বিয়ে করতে চাচ্ছেন? ১জন আছে আলহামদুলিল্লাহ 2nd marriage যিনি রাজি হবেন বিস্তারিত উনাকে জানানো হবে ইনশাআল্লাহ
অভিভাবক আপনার বিয়েতে রাজি কি না? হ্যাঁ
বিয়ে কেন করছেন? বিয়ে সম্পর্কে আপনার ধারণা কি? আলহামদুলিল্লাহ পাপ থেকে বাঁচতে।
বিয়ের পর স্ত্রীর পর্দার ব্যবস্থা রাখতে পারবেন? হ্যাঁ
বিয়ের পর স্ত্রীকে পড়াশোনা করতে দিতে চান? হ্যাঁ
বিয়ের পর স্ত্রীকে চাকরী করতে দিতে চান? হ্যাঁ
বিয়ের পর স্ত্রীকে কোথায় নিয়ে থাকবেন? আলোচনা করে
বিয়ে উপলক্ষে আপনি বা আপনার পরিবার পাত্রীপক্ষের কাছে যৌতুক বা উপহার বা অর্থ আশা করবেন কি না? না

পেশাগত তথ্য

পেশা সম্পর্কিত তথ্য আলহামদুলিল্লাহ
বিশেষ কিছু যদি জানাতে চান না

যেমন জীবনসঙ্গী আশা করেন

সর্বোচ্চ বয়স ২৫-৩৫
গাত্রবর্ণ যে কোনো
নূন্যতম উচ্চতা ৫+
নূন্যতম শিক্ষাগত যোগ্যতা জরুরি না
জেলা যে কোন
বৈবাহিক অবস্থা যে কোন
পেশা হালাল যে কোন
অর্থনৈতিক অবস্থা যে কোন
পারিবারিক অবস্থা যে কোন
জীবনসঙ্গীর যে বৈশিষ্ট্য বা গুণাবলী আশা করেন পরিপূর্ণ ইসলাম মানার মনমানসিকতা থাকতে হবে! অর্থাৎ আমি এমন একজনকে চাই যে হবে আমার চক্ষু শীতলকারী। যাকে দেখে আমার আল্লাহর কথা মনে পরবে, যাকে দেখে আমার মন খুশি হবে। যে আমার জীবনে আনন্দ ও প্রশান্তি এনে দিবে। যে হবে একজন আদর্শ মা, পরিবারের সুখ ও শান্তির উৎস। যে কুরআন এবং সুন্নাহ এর আলোকে জীবন চালাবে, পর্দার ব্যপারে অনেক কঠোর হবে, নামাজের ব্যপারে সর্বদা সচেতন। যে আমার কথা শুনবে,বিভিন্ন কাজে, বিপদে আপদে সমর্থন ও সান্ত্বনা দিবে। নিজের প্রতি যত্নবান,পাশাপাশি আমার পরিবার পরিজন এবং আমার প্রতি যত্নবান হবে। অবশ্যই তাকে ধৈর্যশীল হতে হবে, অর্থাৎ জীবনের সুখ-দুঃখ, উত্থান-পতনে ধৈর্য ধারণ করা এবং সব পরিস্থিতিতে আল্লাহর উপর ভরসা রাখা, বদমেজাজি, কারণে অকারণে রাগ হওয়া যাবেনা। স্ত্রীর মিষ্টি কথা, ভদ্র ব্যবহার,শান্ত শিষ্ট ভাব, উচু স্বরে কথা না বলা এবং স্বামীর মতামতকে গুরুত্ব দেওয়া স্বামীর মনে প্রশান্তি এনে দেয়। আমার আয় উপার্জন যেটাই হোক না কেন, সকল পরিস্থিতিকে আল্লাহর ওপর ভরসা করে মেনে নেয়ার মত মন মানসিকতা থাকতে হবে। কারণ আল্লাহ বিভিন্ন ভাবে তার বান্দার পরীক্ষা নেন,এটা ভাবা যাবেনা যে আজকে এক মুঠো ভাত খেয়েছি,কালকেও খেতে পারব। আমার এবং আমাদের প্রতিটি বিষয় গোপন রাখতে হবে, অন্যের কাছে প্রকাশ করবেনা, পুর্ন বিশ্বাস এবং আস্থা রাখবে। আমাকে ভালবাসবে আল্লাহর জন্য ইন শা আল্লাহ। এই সব কিছুর উর্ধ্বে হচ্ছে ঈমান এবং তাকওয়া। একজন স্ত্রীর দৃঢ় ঈমান স্বামীর জন্য অপরিসীম শান্তির উৎস। স্ত্রীর ঈমানদারী স্বামীকে আল্লাহর স্মরণে রাখতে সাহায্য করে, যা সংসার জীবনে স্থিতিশীলতা এনে দেয়। আল্লাহভীতি সম্পন্ন স্ত্রী সর্বদা আল্লাহর বিধান মেনে চলার চেষ্টা করে। এটি স্বামীকেও আল্লাহর আনুগত্যের পথে চলতে উৎসাহিত করে, ফলে পরিবারে সুখ-শান্তি বিরাজ করে। যদিও একজন নেককার এবং পরিপূর্ণ পর্দানশীল মেয়ের কাছে এই সব কিছুই খুবই সাধারন ব্যাপার বলে আমি মনে করি । তারপরেও মনের ইচ্ছা ব্যক্ত করলাম, আল্লাহ সাহায্য করেছেন আলহামদুলিল্লাহ। স্বর্ণ, রূপা ইত্যাদি পার্থিব ভোগপণ্যের ভালবাসার ব্যাপারে আয়াত নাযিল হওয়ার পর সাহাবায়ে কেরাম রাসুল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামকে জিজ্ঞেস করেছিলেন, আমরা কোন সম্পদ গ্রহণ করব? তখন রাসূলুল্লাহ সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বললেন- لِسَانًا ذَاكِرًا، وَقَلْبًا شَاكِرًا، وَزَوْجَةً تُعِينُ أَحَدَكُمْ عَلَى دِينِهِ. যিকিরকারী যবান, শোকরকারী অন্তর, এবং এমন স্ত্রী, যে তার স্বামীকে দ্বীনের কাজে সহযোগিতা করবে। [মুসনাদে আহমাদ, হাদীস ২৩১০১, ২২৩৯২] এই হাদিস দিয়ে বোঝাতে চেয়েছি, আমি এমন একজনকে জীবনসঙ্গিনী হিসেবে চাই যে আমাকে দ্বীনের জ্ঞান লাভে সাহায্য করবে,উৎসাহিত করবে।কারণ আমার দ্বীনের জ্ঞান খুবই সামান্য। আমি চাই উনি আমাকে এই বিষয়ে সবসময় সাহায্য করুক। আমিন আমিন।আল্লাহ কবুল করুন। আসসালামু আলাইকুম ওয়া রহমাতুল্লাহ"
Chat